ঢাকা , সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য নতুন নীতিমালা মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে ভুয়া ভিসায় আটকের তালিকার শীর্ষে বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ায় নথি জালিয়াতির অভিযোগে ৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৭৭০ অভিবাসী আটক ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে বলে মনে হচ্ছে না, মালয়েশিয়ায় নাহিদ ইসলাম আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার মালয়েশিয়ায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ড. ইউনূসের মালয়েশিয়া সফর ঘিরে প্রবাসীদের প্রত্যাশা বিমানবন্দরে কড়াকড়ি, আরও ১২৩ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে দিল মালয়েশিয়া বিমানবন্দর থেকে ৯৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব, শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্কতা

প্রবাস বার্তা ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪
  • / 345

 

সংক্রামক রোগ মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব বেশ উদ্বেগজনকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে আফ্রিকার বিভিন্ন অংশে। এজন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এ নিয়ে এবার বিশেষ সতর্কতা জারি করলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

 

শনিবার (১৭ আগস্ট) বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিমানবন্দরের আগমনী চ্যানেলে সার্বক্ষণিক একটি চিকিৎসক দল নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া ‘প্রয়োজনে উপসর্গযুক্ত যাত্রীদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল এবং কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হবে।’

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাঙ্কিপক্স বিষয়ে এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। মাঙ্কিপক্স লক্ষণযুক্ত কোনো যাত্রী থাকলে দ্রুত তা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানাতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশে আসার ২১ দিনের মধ্যে যাত্রীদের মাঙ্কিপক্স লক্ষণগুলো দেখা দিলে ১০৬৫৫ নম্বরে কল করতেও অনুরোধ করা হয়।

 

অপরদিকে, দেশে মাঙ্কিপক্স সচেতনতায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কারও মাংকি পক্সের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ জন্য অধিদপ্তর দুটি টেলিফোন নম্বর দিয়েছে। নম্বর দুটি হলো- ১৬২৬৩ বা ১০৬৫৫। শনিবার (১৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

 

এমপক্স (মাঙ্কিপক্স) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। এতে বেদনাদায়ক ফুসকুড়ি, লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া এবং জ্বর হতে পারে।

 

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এমপক্স এই মহাদেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সুইডেন, কেনিয়া ও পাকিস্তান।

শেয়ার করুন

মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব, শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্কতা

আপডেটের সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

 

সংক্রামক রোগ মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব বেশ উদ্বেগজনকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে আফ্রিকার বিভিন্ন অংশে। এজন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এ নিয়ে এবার বিশেষ সতর্কতা জারি করলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

 

শনিবার (১৭ আগস্ট) বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিমানবন্দরের আগমনী চ্যানেলে সার্বক্ষণিক একটি চিকিৎসক দল নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া ‘প্রয়োজনে উপসর্গযুক্ত যাত্রীদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল এবং কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হবে।’

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাঙ্কিপক্স বিষয়ে এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। মাঙ্কিপক্স লক্ষণযুক্ত কোনো যাত্রী থাকলে দ্রুত তা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানাতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশে আসার ২১ দিনের মধ্যে যাত্রীদের মাঙ্কিপক্স লক্ষণগুলো দেখা দিলে ১০৬৫৫ নম্বরে কল করতেও অনুরোধ করা হয়।

 

অপরদিকে, দেশে মাঙ্কিপক্স সচেতনতায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কারও মাংকি পক্সের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ জন্য অধিদপ্তর দুটি টেলিফোন নম্বর দিয়েছে। নম্বর দুটি হলো- ১৬২৬৩ বা ১০৬৫৫। শনিবার (১৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

 

এমপক্স (মাঙ্কিপক্স) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। এতে বেদনাদায়ক ফুসকুড়ি, লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া এবং জ্বর হতে পারে।

 

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এমপক্স এই মহাদেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সুইডেন, কেনিয়া ও পাকিস্তান।