ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য নতুন নীতিমালা মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে ভুয়া ভিসায় আটকের তালিকার শীর্ষে বাংলাদেশিরা মালয়েশিয়ায় নথি জালিয়াতির অভিযোগে ৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৭৭০ অভিবাসী আটক ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে বলে মনে হচ্ছে না, মালয়েশিয়ায় নাহিদ ইসলাম আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার মালয়েশিয়ায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ড. ইউনূসের মালয়েশিয়া সফর ঘিরে প্রবাসীদের প্রত্যাশা বিমানবন্দরে কড়াকড়ি, আরও ১২৩ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে দিল মালয়েশিয়া বিমানবন্দর থেকে ৯৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

বিদেশি কর্মীদর পরিচালনায় নতুন ব্যবস্থা চালু করলো মালয়েশিয়া

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪
  • / 272

 

মালয়েশিয়ার কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (সিআইডিবি) একটি নতুন সিস্টেম চালু করেছে, যা দেশটির নির্মাণ খাতে বিদেশি কর্মীদের পরিচালনা করতে তাদের সহায়তা করবে।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির কর্মসংস্থান মন্ত্রী আলেকজান্ডার নানটা লিঙ্গি বলেছেন, এই সিস্টেমটি এখনও বাধ্যতামূলক নয়, তবে তার মন্ত্রণালয় কোম্পানি মালিকরা তাদের কর্মীদের এই সিস্টেমে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করছে।

 

সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯১ জন নিবন্ধিত বিদেশি নির্মাণ কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ জন কুয়ালালামপুরে এবং ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৫৬ জন সেলাঙ্গরে রয়েছে বলে জানিয়েছে কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (সিআইডিবি)।

 

দেশটির কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরও বলেছেন, যদিও এই কর্মীদের অনেকেই আমাদের মতোই; তারা বিদেশি হিসেবে আমাদের দেশে কাজ করছে। তা সত্ত্বেও, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কল্যাণকে হালকাভাবে নেওয়া হয় না, এ কারণেই মন্ত্রণালয় এই সিস্টেমটি চালু করেছে।

 

এই সিস্টেমের আওতায় বিদেশি কর্মীরা যখন তাদের নিজ দেশে সিআইডিবির যাচাইকৃত নির্মাণ কাজের দক্ষতা বিষয়ক সার্টিফিকেট পাবেন, তখন তাদের একটি বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।

 

এছাড়া শিল্প উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে শুধুমাত্র বৈধ যোগ্যতা সম্পন্ন অভিবাসী কর্মীদের কনস্ট্রাকশন খাতে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

 

দেশটির সরকারি মুখপাত্র বারনামার প্রতিবেদন অনুযায়ী সিআইডিবি জানিয়েছে, সিআইডিবির নতুন এ সিস্টেমটি বিদেশি কর্মীদের কল্যাণ তদারকি করতেও সহায়তা করবে, যার মধ্যে তাদের আবাসনের ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

সিস্টেমটি কোম্পানি মালিকদের বিভিন্ন কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আইন মেনে চলার দায়-দায়িত্ব তদারকি করতেও সহায়ক হবে, যেন কর্মীদের সুস্থতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

শেয়ার করুন

বিদেশি কর্মীদর পরিচালনায় নতুন ব্যবস্থা চালু করলো মালয়েশিয়া

আপডেটের সময় : ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

 

মালয়েশিয়ার কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (সিআইডিবি) একটি নতুন সিস্টেম চালু করেছে, যা দেশটির নির্মাণ খাতে বিদেশি কর্মীদের পরিচালনা করতে তাদের সহায়তা করবে।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির কর্মসংস্থান মন্ত্রী আলেকজান্ডার নানটা লিঙ্গি বলেছেন, এই সিস্টেমটি এখনও বাধ্যতামূলক নয়, তবে তার মন্ত্রণালয় কোম্পানি মালিকরা তাদের কর্মীদের এই সিস্টেমে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করছে।

 

সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯১ জন নিবন্ধিত বিদেশি নির্মাণ কর্মী রয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ জন কুয়ালালামপুরে এবং ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৫৬ জন সেলাঙ্গরে রয়েছে বলে জানিয়েছে কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (সিআইডিবি)।

 

দেশটির কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরও বলেছেন, যদিও এই কর্মীদের অনেকেই আমাদের মতোই; তারা বিদেশি হিসেবে আমাদের দেশে কাজ করছে। তা সত্ত্বেও, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কল্যাণকে হালকাভাবে নেওয়া হয় না, এ কারণেই মন্ত্রণালয় এই সিস্টেমটি চালু করেছে।

 

এই সিস্টেমের আওতায় বিদেশি কর্মীরা যখন তাদের নিজ দেশে সিআইডিবির যাচাইকৃত নির্মাণ কাজের দক্ষতা বিষয়ক সার্টিফিকেট পাবেন, তখন তাদের একটি বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।

 

এছাড়া শিল্প উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে শুধুমাত্র বৈধ যোগ্যতা সম্পন্ন অভিবাসী কর্মীদের কনস্ট্রাকশন খাতে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

 

দেশটির সরকারি মুখপাত্র বারনামার প্রতিবেদন অনুযায়ী সিআইডিবি জানিয়েছে, সিআইডিবির নতুন এ সিস্টেমটি বিদেশি কর্মীদের কল্যাণ তদারকি করতেও সহায়তা করবে, যার মধ্যে তাদের আবাসনের ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

সিস্টেমটি কোম্পানি মালিকদের বিভিন্ন কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আইন মেনে চলার দায়-দায়িত্ব তদারকি করতেও সহায়ক হবে, যেন কর্মীদের সুস্থতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।