বিদেশে শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নে কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা বাড়াতে হবে
- আপডেটের সময় : ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪
- / 384
বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী । তিনি বলেন, আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।”
রবিবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিজয়-৭১ হলে দক্ষিণ কোরিয়াগামী ইপিএস কর্মীদের কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসময় বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, ওয়েস আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান, কোরিয়ার ডিরেক্টর এইচআরডি কিম ডং চ্যানসহ অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন দক্ষ করে জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে হবে এবং বৈধ পথে তাদের অর্জিত রেমিটেন্স দেশে পাঠাতে হবে। লক্ষ্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছি। আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন কারিগরি জ্ঞান ও ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে।
মালদ্বীপগামী ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আপনারা একেকজন দেশের প্রতিনিধি, বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। আপনাদের কাজ, চলাফেরা, ব্যবহারে দেশের সুনাম হবে। আপনাদের অনুসরণ করে দেশে থেকে আরো ডাক্তার বিভিন্ন দেশে যেতে পারবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যারা বিদেশ যেতে চায় তাদের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবেন। আপনারা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করবেন যাতে সবাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে বিদেশে যায়।
সভায় জানানো হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, দুই দেশের দূতাবাস ও এইচআরডি কোরিয়ার সহযোগিতায় এবং নিয়োগকর্তার চাহিদা মোতাবেক বোয়েসেল দ্রুত কর্মী পাঠানোতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়ায় অধিক সংখ্যক কর্মী পাঠানোতে অগ্রগতি হয়েছে। গেল দুই বছরে ১০,৬৯৫ জন ইপিএস কর্মী দক্ষিণ কোরিয়া কর্মসংস্থান সুযোগ লাভ করেছে। ফলে বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ১০,০০০ জন এবং ২০২৪ সালে ১১৫০০ জন কর্মী কোটা লাভ করে। এ পর্যন্ত ২০০৮ সাল থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৩৪,০৬৯ জন এপিএস কর্মী সফলভাবে দক্ষিণ কোরিয়া গেছেন এবং এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।











