ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বায়নের যুগে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজারের বেশি নথিবিহীন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব ভিসা চালু করেছে ওমান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সার্ক মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয়বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি বেনজীর আহমেদ এবার হজে প্রচণ্ড গরমের শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৩ হাজার কর্মীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে বায়রা’র এজিএম-এ হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ কর্মী নেবে জাপান: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
  • / 66

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত। ছবি: সংগৃহীত।

 

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধে ২৭০ অভিবাসীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দেশটির টিভি তিগার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ জুন দেশটির পন্টিয়ান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিবাসীদের হাজির করা হলে বিভিন্ন অপরাধে আদালত তাদের অভিযুক্ত করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে ১৮ থেকে ৫৪ বছর বয়সী বিভিন্ন দেশের ৭৫ জন মহিলা রয়েছেন।

 

এ ছাড়া মিয়ানমার ৮২, বাংলাদেশের ৬৬, ইন্দোনেশিয়া ৫০, থাইল্যান্ড ৩৩, পাকিস্তান ১৫, নেপাল ৯, চীনসহ ভারত, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন এবং মিশরের নাগরিক রয়েছেন।
কোনো বৈধ নথি ছাড়াই মালয়েশিয়ায় বসবাসের জন্য অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ বিচারক ফাতিমা জাহারির সামনে পড়ে শোনানো হয়।

 

অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬ (১) (সি) অনুসারে তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং একই আইনের ট্রিপল ব্র্যাকেটের ৬ ধারা অনুসারে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ১০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি বেতের ছয়টি আঘাত হতে পারে।

 

অন্য ১০৮ জনের মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট নিয়ে দেশে থাকার অভিযোগ রয়েছে। তারা ধারা ১৫ (১)(সি), অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুসারে অভিযুক্ত এবং ১৫ বন্ধনী ৪, একই আইন অনুসারে শাস্তি পেতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 

বাকি ৩৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে পাসপোর্টের নির্ধারিত শর্ত লঙ্ঘনের জন্য রেগুলেশন ৩৯ (ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩) এর অধীনে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ মে এর মধ্যে পাসির গুদাং, তামান উংকু তুন আমিনাহ এবং গেলাং পাতাহ এর আশেপাশে একটি নির্মাণ সাইট, দোকান ঘর এবং কারখানায় অভিযান চালিয়ে অভিবাসীদের আটক করা হয়।

 

জিআইএম প্রসিকিউটিং অফিসার নুর লিনা আথিরাহ আব্দুল রহিম দ্বারা প্রসিকিউশন পরিচালনার সময় অভিযুক্তদের পক্ষে কোনো আইনজীবী প্রতিনিধিত্ব করেননি।

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত

আপডেটের সময় : ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

 

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধে ২৭০ অভিবাসীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দেশটির টিভি তিগার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ জুন দেশটির পন্টিয়ান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিবাসীদের হাজির করা হলে বিভিন্ন অপরাধে আদালত তাদের অভিযুক্ত করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে ১৮ থেকে ৫৪ বছর বয়সী বিভিন্ন দেশের ৭৫ জন মহিলা রয়েছেন।

 

এ ছাড়া মিয়ানমার ৮২, বাংলাদেশের ৬৬, ইন্দোনেশিয়া ৫০, থাইল্যান্ড ৩৩, পাকিস্তান ১৫, নেপাল ৯, চীনসহ ভারত, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন এবং মিশরের নাগরিক রয়েছেন।
কোনো বৈধ নথি ছাড়াই মালয়েশিয়ায় বসবাসের জন্য অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ বিচারক ফাতিমা জাহারির সামনে পড়ে শোনানো হয়।

 

অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬ (১) (সি) অনুসারে তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং একই আইনের ট্রিপল ব্র্যাকেটের ৬ ধারা অনুসারে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ১০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি বেতের ছয়টি আঘাত হতে পারে।

 

অন্য ১০৮ জনের মেয়াদ উত্তীর্ণ পাসপোর্ট নিয়ে দেশে থাকার অভিযোগ রয়েছে। তারা ধারা ১৫ (১)(সি), অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুসারে অভিযুক্ত এবং ১৫ বন্ধনী ৪, একই আইন অনুসারে শাস্তি পেতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 

বাকি ৩৬ জন অবৈধ অভিবাসীকে পাসপোর্টের নির্ধারিত শর্ত লঙ্ঘনের জন্য রেগুলেশন ৩৯ (ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩) এর অধীনে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ মে এর মধ্যে পাসির গুদাং, তামান উংকু তুন আমিনাহ এবং গেলাং পাতাহ এর আশেপাশে একটি নির্মাণ সাইট, দোকান ঘর এবং কারখানায় অভিযান চালিয়ে অভিবাসীদের আটক করা হয়।

 

জিআইএম প্রসিকিউটিং অফিসার নুর লিনা আথিরাহ আব্দুল রহিম দ্বারা প্রসিকিউশন পরিচালনার সময় অভিযুক্তদের পক্ষে কোনো আইনজীবী প্রতিনিধিত্ব করেননি।