ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বায়নের যুগে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজারের বেশি নথিবিহীন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব ভিসা চালু করেছে ওমান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সার্ক মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয়বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি বেনজীর আহমেদ এবার হজে প্রচণ্ড গরমের শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৩ হাজার কর্মীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে বায়রা’র এজিএম-এ হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ কর্মী নেবে জাপান: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়াকে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের সতর্কবার্তা

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪
  • / 89

 

বাংলাদেশসহ বিদেশি কর্মী কেন্দ্রিক মানবাধিকার ও মানব পাচার সংক্রান্ত অবনমন পরিস্থিতির সরাসরি পর্যবেক্ষণে মালয়েশিয়ায় আসা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক মানবাধিকার এবং ব্যবসার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র তুলে ধরেছেন। মিস্টার ভলকার তুর্ক মালয়েশিয়াকে সতর্ক করেছেন যে, ব্যবসা ক্ষেত্রে মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার না দিলে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

তুর্ক বলেছেন “যে মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনায় ব্যবসা এবং মানবাধিকার বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ব্যবসা এবং মানবাধিকার বিষয়গুলি আমাদের আলোচনার অংশ ছিল কারণ আমরা জানি যে যখন ব্যবসায় মানবাধিকার চর্চা করা না হয়, তবে এটি ভবিষ্যতে (বিদেশি বিনিয়োগের) ক্ষতি করবে।” ৪ জুন মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্ক এসব কথা বলেন।

 

অভিবাসী কর্মীদের শোষণ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে কিনা সে সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে তুর্কের এরূপ মন্তব্য এসেছে।

 

জাতিসংঘ এর আগে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীর চাকরিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ এবং মানব পাচারের অধিক সংখ্যক ঘটনা থাকায় সে সম্পর্কে জাতিসংঘের উদ্বেগ মালয়েশিয়াকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এও বলা হয়েছে যে, বিদেশি কর্মীদের নিয়োগকারী সংস্থাগুলি মিথ্যা অজুহাতে মালয়েশিয়ায় আনা হচ্ছে।

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দুর্দশার দিকেও সাম্প্রতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যারা শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের আশা নিয়ে এসেছিলেন কিন্তু নিজেদেরকে দুর্দশাজনক পরিস্থিতিতে খুঁজে পেয়েছেন।

 

তুর্ক বলেন, অভিবাসন-সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সময় ২০ বছর আগের তুলনায় অনেক বেশি উদারতা লক্ষ্য করেছেন। তুর্ক মনে করেন, মালয়েশিয়া সমস্যা সম্পর্কে সচেতন আছে এবং সেগুলি মোকাবেলা করতে চায়।”

 

তুর্ক আরো বলেন,আমি বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জেনেছি যে বন্দীর জন্য কঠোর অবস্থা বিদ্যান এবং তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয় যা উদ্বেগজনক। এসব বিষয়ে তদন্ত করা দরকার।”

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়াকে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের সতর্কবার্তা

আপডেটের সময় : ০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০২৪

 

বাংলাদেশসহ বিদেশি কর্মী কেন্দ্রিক মানবাধিকার ও মানব পাচার সংক্রান্ত অবনমন পরিস্থিতির সরাসরি পর্যবেক্ষণে মালয়েশিয়ায় আসা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক মানবাধিকার এবং ব্যবসার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র তুলে ধরেছেন। মিস্টার ভলকার তুর্ক মালয়েশিয়াকে সতর্ক করেছেন যে, ব্যবসা ক্ষেত্রে মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার না দিলে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

 

তুর্ক বলেছেন “যে মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনায় ব্যবসা এবং মানবাধিকার বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ব্যবসা এবং মানবাধিকার বিষয়গুলি আমাদের আলোচনার অংশ ছিল কারণ আমরা জানি যে যখন ব্যবসায় মানবাধিকার চর্চা করা না হয়, তবে এটি ভবিষ্যতে (বিদেশি বিনিয়োগের) ক্ষতি করবে।” ৪ জুন মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্ক এসব কথা বলেন।

 

অভিবাসী কর্মীদের শোষণ বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে কিনা সে সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে তুর্কের এরূপ মন্তব্য এসেছে।

 

জাতিসংঘ এর আগে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীর চাকরিকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ এবং মানব পাচারের অধিক সংখ্যক ঘটনা থাকায় সে সম্পর্কে জাতিসংঘের উদ্বেগ মালয়েশিয়াকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এও বলা হয়েছে যে, বিদেশি কর্মীদের নিয়োগকারী সংস্থাগুলি মিথ্যা অজুহাতে মালয়েশিয়ায় আনা হচ্ছে।

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দুর্দশার দিকেও সাম্প্রতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যারা শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের আশা নিয়ে এসেছিলেন কিন্তু নিজেদেরকে দুর্দশাজনক পরিস্থিতিতে খুঁজে পেয়েছেন।

 

তুর্ক বলেন, অভিবাসন-সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সময় ২০ বছর আগের তুলনায় অনেক বেশি উদারতা লক্ষ্য করেছেন। তুর্ক মনে করেন, মালয়েশিয়া সমস্যা সম্পর্কে সচেতন আছে এবং সেগুলি মোকাবেলা করতে চায়।”

 

তুর্ক আরো বলেন,আমি বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জেনেছি যে বন্দীর জন্য কঠোর অবস্থা বিদ্যান এবং তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয় যা উদ্বেগজনক। এসব বিষয়ে তদন্ত করা দরকার।”