ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বায়নের যুগে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজারের বেশি নথিবিহীন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব ভিসা চালু করেছে ওমান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সার্ক মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয়বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি বেনজীর আহমেদ এবার হজে প্রচণ্ড গরমের শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৩ হাজার কর্মীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে বায়রা’র এজিএম-এ হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ কর্মী নেবে জাপান: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার কলিং ও ই-ভিসা হলেও বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাননি, তাদের কী হবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪
  • / 199

 

মালয়েশিয়ার কলিং ও ই-ভিসা হলেও বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাননি, তাদের কী হবে? সাংবাদিকদের প্রশ্নে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন,যারা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং যারা এজেন্টের মাধ্যমে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, এমনকি যারা ভিসা পায়নি, তাদের ব্যাপারেও মন্ত্রণালয় বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, কিভাবে কর্মীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারেও কাজ চলছে। এ বিষয়ে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার ব্যাপারে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

 

বুধবার (৫ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মোহাম্মদ হাশিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছিল, সেই চুক্তির শেষ তারিখ ছিল ৩১ মে। সেটা পরিপূর্ণ করতে মালয়েশিয়া সরকার ও আমাদের সরকারের উভয়ের চেষ্টা ছিল। আমাদের প্রায় ১৭ হাজার মানুষের ভিসা ইস্যু হয়েছে। আমরা মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের মাধ্যমে তাদের সরকারের কাছে আবেদন করেছি যে, অন্ততপক্ষে যাদের ভিসা হয়েছে তাদেরকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হউক। আমরা আশা করছি, আমাদের আবেদন তারা রক্ষা করার চেষ্টা করবে।

 

তিনি বলেন, “আমরা মন্ত্রণালয় থেকে ৬ সদস্যের একটা তদন্ত কমিটি করেছি। সাত দিনের ভিতরে রিপোর্ট দেবে। এই সমস্যা কাদের কারণে সৃষ্টি হয়েছে, কেন কর্মীরা যেতে পারে নাই, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে যারা দোষী হবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

 

নতুন করে তারিখ বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ। বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। আমার বিশ্বাস, মালয়েশিয়া এ আবেদন বিবেচনা করবে।

 

সময় বাড়ানো সুযোগ না থাকলে সরকার কিসের ভিত্তিতে চেষ্টা করার কথা বলছে, সেই প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা চেষ্টা করতেছি। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে মালয়েশিয়া সরকারকে চিঠি দিয়েছি। তারা না করেছে, কিন্তু আমরা চেষ্টা করব। চেষ্টা করতে কি কোনো অসুবিধা আছে?”

 

বৈঠক শেষে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম বলেছেন, মালয়েশিয়া সরকার দেশটিতে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে সময় বাড়াচ্ছে না; বরং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই থাকছে।

 

মালয়েশিয়ার সরকার ওই সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করবে কি না, জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নেয়। সবার ক্ষেত্রে একই সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য আলাদা করে কিছু করা হয়নি। সব দেশের জন্য একই নীতি বজায় রাখতে চায় মালয়েশিয়া।

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের নতুন করে পুনর্বিবেচনা করতে গেলে ১৫টি উৎস দেশের জন্যও এটা করতে হবে। এটার পাশাপাশি ত্রুটিগুলো সমাধান করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ করেছেন। আমি এ বার্তা কুয়ালালামপুরে পৌঁছে দেব।

 

মালয়েশিয়ায় গি‌য়ে কাজ না পাওয়া কর্মীদের বিষ‌য়ে হাইকমিশনার ব‌লে‌ছেন, মালয়েশিয়া সরকার তা দেখবে। এর বেশি বলতে চাই না।

 

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) অভিযোগ, মালয়েশিয়া সরকার নির্ধারিত সময়সীমার পরও ২ জুন ই-ভিসা দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগ গ্রহণ করতে পারি না। এখন পর্যন্ত ভিসা ইস্যুকারী সংস্থাসহ পুরো মালয়েশিয়া সরকার কঠোরভাবে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে কাজ করছে।’

 

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল আলম, নূর মো. মাহবুবুল হক, যুগ্ম সচিব মো. আবু রায়হান মিঞসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীরা অভিযোগ জানাতে গণ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

 

অভিযোগকারীর নাম, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, পাসপোর্ট নম্বর, বিএমইটির স্মার্ট কার্ডের কপি, এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণসহ বিস্তারিত তথ্য আগামী ৮ জুনের মধ্যে enquiry.committee.malaysia@gmail.com ইমেইলে পাঠাতে বলেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

 

এছাড়া অভিযোগকারীরা ই-মেইলে’র পাশাপাশি নিম্মে বর্ণিত কর্মকর্তাদের, মোবাইল নম্বরে করে অথবা হোয়াটস আপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে পারবেন

 

১. গাজী মো: শাহেদ আনোয়ার, উপসচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, মোবাইল নম্বর: ০১৯২৪-২৭৭০৮৩
২, সাজ্জাদ হোসেন সরকার, উপপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৫-২২৮৩০৭

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ার কলিং ও ই-ভিসা হলেও বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাননি, তাদের কী হবে?

আপডেটের সময় : ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

 

মালয়েশিয়ার কলিং ও ই-ভিসা হলেও বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স পাননি, তাদের কী হবে? সাংবাদিকদের প্রশ্নে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন,যারা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং যারা এজেন্টের মাধ্যমে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, এমনকি যারা ভিসা পায়নি, তাদের ব্যাপারেও মন্ত্রণালয় বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, কিভাবে কর্মীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারেও কাজ চলছে। এ বিষয়ে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার ব্যাপারে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

 

বুধবার (৫ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মোহাম্মদ হাশিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছিল, সেই চুক্তির শেষ তারিখ ছিল ৩১ মে। সেটা পরিপূর্ণ করতে মালয়েশিয়া সরকার ও আমাদের সরকারের উভয়ের চেষ্টা ছিল। আমাদের প্রায় ১৭ হাজার মানুষের ভিসা ইস্যু হয়েছে। আমরা মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের মাধ্যমে তাদের সরকারের কাছে আবেদন করেছি যে, অন্ততপক্ষে যাদের ভিসা হয়েছে তাদেরকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হউক। আমরা আশা করছি, আমাদের আবেদন তারা রক্ষা করার চেষ্টা করবে।

 

তিনি বলেন, “আমরা মন্ত্রণালয় থেকে ৬ সদস্যের একটা তদন্ত কমিটি করেছি। সাত দিনের ভিতরে রিপোর্ট দেবে। এই সমস্যা কাদের কারণে সৃষ্টি হয়েছে, কেন কর্মীরা যেতে পারে নাই, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে যারা দোষী হবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

 

নতুন করে তারিখ বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ। বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। আমার বিশ্বাস, মালয়েশিয়া এ আবেদন বিবেচনা করবে।

 

সময় বাড়ানো সুযোগ না থাকলে সরকার কিসের ভিত্তিতে চেষ্টা করার কথা বলছে, সেই প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, “আমরা চেষ্টা করতেছি। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে মালয়েশিয়া সরকারকে চিঠি দিয়েছি। তারা না করেছে, কিন্তু আমরা চেষ্টা করব। চেষ্টা করতে কি কোনো অসুবিধা আছে?”

 

বৈঠক শেষে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম বলেছেন, মালয়েশিয়া সরকার দেশটিতে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে সময় বাড়াচ্ছে না; বরং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই থাকছে।

 

মালয়েশিয়ার সরকার ওই সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করবে কি না, জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নেয়। সবার ক্ষেত্রে একই সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য আলাদা করে কিছু করা হয়নি। সব দেশের জন্য একই নীতি বজায় রাখতে চায় মালয়েশিয়া।

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের নতুন করে পুনর্বিবেচনা করতে গেলে ১৫টি উৎস দেশের জন্যও এটা করতে হবে। এটার পাশাপাশি ত্রুটিগুলো সমাধান করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ করেছেন। আমি এ বার্তা কুয়ালালামপুরে পৌঁছে দেব।

 

মালয়েশিয়ায় গি‌য়ে কাজ না পাওয়া কর্মীদের বিষ‌য়ে হাইকমিশনার ব‌লে‌ছেন, মালয়েশিয়া সরকার তা দেখবে। এর বেশি বলতে চাই না।

 

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) অভিযোগ, মালয়েশিয়া সরকার নির্ধারিত সময়সীমার পরও ২ জুন ই-ভিসা দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগ গ্রহণ করতে পারি না। এখন পর্যন্ত ভিসা ইস্যুকারী সংস্থাসহ পুরো মালয়েশিয়া সরকার কঠোরভাবে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে কাজ করছে।’

 

বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল আলম, নূর মো. মাহবুবুল হক, যুগ্ম সচিব মো. আবু রায়হান মিঞসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা কর্মীরা অভিযোগ জানাতে গণ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

 

অভিযোগকারীর নাম, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, পাসপোর্ট নম্বর, বিএমইটির স্মার্ট কার্ডের কপি, এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণসহ বিস্তারিত তথ্য আগামী ৮ জুনের মধ্যে enquiry.committee.malaysia@gmail.com ইমেইলে পাঠাতে বলেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

 

এছাড়া অভিযোগকারীরা ই-মেইলে’র পাশাপাশি নিম্মে বর্ণিত কর্মকর্তাদের, মোবাইল নম্বরে করে অথবা হোয়াটস আপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে পারবেন

 

১. গাজী মো: শাহেদ আনোয়ার, উপসচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, মোবাইল নম্বর: ০১৯২৪-২৭৭০৮৩
২, সাজ্জাদ হোসেন সরকার, উপপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৫-২২৮৩০৭