ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বায়নের যুগে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজারের বেশি নথিবিহীন প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব ভিসা চালু করেছে ওমান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সার্ক মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিতীয়বার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি বেনজীর আহমেদ এবার হজে প্রচণ্ড গরমের শঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন অপরাধে ৬৬ বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী অভিযুক্ত মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৩ হাজার কর্মীর অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে বায়রা’র এজিএম-এ হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের বাংলাদেশ থেকে আরো দক্ষ কর্মী নেবে জাপান: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় মানব পাচার চক্রের বাংলাদেশি সদস্য গ্রেফতার

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪
  • / 169

 

মানব পাচার চক্রের বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। চক্রটি বাংলাদেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ভিয়েতনাম থেকে থাইল্যান্ড এবং তারপর নৌকায় করে মালয়েশিয়ায় আনার জন্য ২১ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করেছে।

 

শনিবার (১৮ মে) দেশটির সিনার হারিয়ানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর-জেনারেল রুসলিন জুসোহ জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৭) কুয়ালালামপুরে জালান সুলতান ইসমাইলের একটি বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এই চক্রটি গ্রেফতার করা হয়।

 

পরিচালক বলেন, পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন সদর দফতরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ০২ মিনিটে  একটি গাড়ি থেকে এক বাংলাদেশিকে আটক করে। সে সময় পার্কিং এলাকা থেকে গাড়িটি দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করেছিল।

 

রুসলিন বলেন, ৩৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি একজন মানব পাচারকারী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার সাথে গাড়িতে থাকা অনথিভুক্ত দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।

 

গাড়ি থেকে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যর ভিত্তিতে একটি বাসভবনে অভিযান চালানো হয়। এই সময় বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস ছাড়া আরও পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।

 

রুসলিন বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, তিনটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫০০ রিঙ্গিত এবং অভিবাসীদের পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পেরোডুয়া মাইভি জব্দ করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, চক্রটির কাজ ছিল এখানে কর্মসংস্থান খুঁজছেন এমন নথিভুক্ত অভিবাসীদের আকাশপথে ভিয়েতনামে এবং তারপর স্থলপথে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া। তারপর থাইল্যান্ড থেকে নৌকায় করে তাঁদের কেলান্তানে আনা হয়। এরপর তাদের কুয়ালালামপুরের বাসভবনে নিয়ে আসা হয়।

 

রুসলিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে, চক্রটি দুই মাস ধরে কাজ করছে। মানব পাচারকারী ব্যক্তিকে পাচার বিরোধী এবং অভিবাসী আইন ২০০৭-এর ধারা ২৬-এ এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে। আটক ২১ থেকে ৩৮ বছর বয়সী অভিবাসীদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩ এর অধীনে তদন্তের স্বার্থে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় মানব পাচার চক্রের বাংলাদেশি সদস্য গ্রেফতার

আপডেটের সময় : ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

 

মানব পাচার চক্রের বাংলাদেশি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। চক্রটি বাংলাদেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ভিয়েতনাম থেকে থাইল্যান্ড এবং তারপর নৌকায় করে মালয়েশিয়ায় আনার জন্য ২১ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করেছে।

 

শনিবার (১৮ মে) দেশটির সিনার হারিয়ানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর-জেনারেল রুসলিন জুসোহ জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৭) কুয়ালালামপুরে জালান সুলতান ইসমাইলের একটি বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এই চক্রটি গ্রেফতার করা হয়।

 

পরিচালক বলেন, পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন সদর দফতরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ০২ মিনিটে  একটি গাড়ি থেকে এক বাংলাদেশিকে আটক করে। সে সময় পার্কিং এলাকা থেকে গাড়িটি দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করেছিল।

 

রুসলিন বলেন, ৩৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি একজন মানব পাচারকারী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার সাথে গাড়িতে থাকা অনথিভুক্ত দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।

 

গাড়ি থেকে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যর ভিত্তিতে একটি বাসভবনে অভিযান চালানো হয়। এই সময় বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস ছাড়া আরও পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।

 

রুসলিন বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, তিনটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫০০ রিঙ্গিত এবং অভিবাসীদের পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পেরোডুয়া মাইভি জব্দ করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, চক্রটির কাজ ছিল এখানে কর্মসংস্থান খুঁজছেন এমন নথিভুক্ত অভিবাসীদের আকাশপথে ভিয়েতনামে এবং তারপর স্থলপথে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া। তারপর থাইল্যান্ড থেকে নৌকায় করে তাঁদের কেলান্তানে আনা হয়। এরপর তাদের কুয়ালালামপুরের বাসভবনে নিয়ে আসা হয়।

 

রুসলিন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে, চক্রটি দুই মাস ধরে কাজ করছে। মানব পাচারকারী ব্যক্তিকে পাচার বিরোধী এবং অভিবাসী আইন ২০০৭-এর ধারা ২৬-এ এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে। আটক ২১ থেকে ৩৮ বছর বয়সী অভিবাসীদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩ এর অধীনে তদন্তের স্বার্থে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।