ঢাকা , রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর মালয়েশিয়ায় চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম প্রবাসীদের ঈদ উদযাপন বাস্তবতা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা, চিকিৎসাধীন আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সার্কের মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় মালয়েশিয়ায় বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুমতি ছাড়া আতশবাজি বিক্রি:মালয়েশিয়ায় ২ বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩ বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসায় মালয়েশিয়ার সাবেক মন্ত্রী এম সারাভানান কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে বিমান ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ: স্থগিত থাকবে কোটা অনুমোদন

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
  • / 53

 

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের কোটা অনুমোদন আপাতত স্থগিত থাকবে। কারণ অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১২ তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনা (১২এমপি) লক্ষ্যে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন, দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম।

 

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দেওয়ান রাকায়াতে (সংসদে) মন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরকালে তিনি বলেন, ‘সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ২০২৫ সালের মধ্যে বিদেশি কর্মী কোটা মোট কর্মশক্তির ১৫ শতাংশের বেশি হবে না। ইমিগ্রেশন বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী, ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশে প্রায় ২.১৭ মিলিয়ন বিদেশি কর্মী ছিল।

 

বর্তমানে সরকার বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কোটার উপর স্থগিতাদেশ বজায় রাখছে কারণ বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা প্রায় ১২ এমপি লক্ষ্যে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বিদেশি কোটা মুক্ত করার সিদ্ধান্তটি দ্বিতীয় শ্রম পুনর্নির্মাণ কর্মসূচির (আরটিকে ২.০) ফলাফলের উপরও নির্ভর করবে, যা অনথিভুক্ত কর্মীদের বৈধ করার জন্য একটি সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি।

 

নতুন করে আর বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোনো আবেদন অনুমোদন করছে না মালয়েশিয়া সরকার। যারা ইতিমধ্যে অনুমোদন নিয়েছেন, তাঁদের কর্মীদের ৩১ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন জমা দিতে হবে। এরপর আর কর্মীদের ভিসার আবেদন নেবে না দেশটি। যাঁরা ইতিমধ্যে ভিসা নিয়েছেন বা নেবেন; তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের শেষ সময় আগামী ৩১ মে।

 

এই সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেনি এমন কর্মীদের কোটার সম্পূর্ণ বিবরণ এবং আরটিকে ২.০ প্রক্রিয়ার ফলাফল পাওয়ার পরে বিদেশি কর্মী কোটা পুনরায় চালু করার বিষয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে শেষ হবে ৩০ জুন। সরকার নতুন করে বিবেচনা করার আগে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান কোটাও বিবেচনা করবে যা এখনও ব্যবহার করা হয়নি।

 

স্টিভেন সিম বলেন, কোনো অব্যবহৃত কোটা এমন গুরুত্বপূর্ণ খাতে পুনঃনির্দেশিত হবে যেখানে জনবলের প্রয়োজন রয়েছে এবং দেশের অর্থনীতিতে উচ্চ প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

 

সিম বলেন, ১৬ জানুয়ারি, মানবসম্পদ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যৌথ কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আরও নিয়মতান্ত্রিক এবং কম আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতিমালায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া ২৯ মাস থেকে কমিয়ে ১৫ মাস করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, “সরকার নতুন কোটার ওপর থেকে স্থবিরতা তুলে নিলেই এই নতুন নীতি শুরু হবে।” তিনি লিম গুয়ান ইং (পিএইচ-বাগান) এর বিদেশি কর্মীদের অবস্থা, দেশের জনবলের চাহিদা এবং উদ্ভূত সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

 

এ দিকে শ্রমের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে দেশের বাণিজ্য কোম্পানি এর আগে সরকারকে কোটা অনুমোদন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ: স্থগিত থাকবে কোটা অনুমোদন

আপডেটের সময় : ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

 

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের কোটা অনুমোদন আপাতত স্থগিত থাকবে। কারণ অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১২ তম মালয়েশিয়া পরিকল্পনা (১২এমপি) লক্ষ্যে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন, দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম।

 

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দেওয়ান রাকায়াতে (সংসদে) মন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরকালে তিনি বলেন, ‘সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ২০২৫ সালের মধ্যে বিদেশি কর্মী কোটা মোট কর্মশক্তির ১৫ শতাংশের বেশি হবে না। ইমিগ্রেশন বিভাগের রেকর্ড অনুযায়ী, ১৫ মার্চ পর্যন্ত দেশে প্রায় ২.১৭ মিলিয়ন বিদেশি কর্মী ছিল।

 

বর্তমানে সরকার বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কোটার উপর স্থগিতাদেশ বজায় রাখছে কারণ বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা প্রায় ১২ এমপি লক্ষ্যে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বিদেশি কোটা মুক্ত করার সিদ্ধান্তটি দ্বিতীয় শ্রম পুনর্নির্মাণ কর্মসূচির (আরটিকে ২.০) ফলাফলের উপরও নির্ভর করবে, যা অনথিভুক্ত কর্মীদের বৈধ করার জন্য একটি সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি।

 

নতুন করে আর বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোনো আবেদন অনুমোদন করছে না মালয়েশিয়া সরকার। যারা ইতিমধ্যে অনুমোদন নিয়েছেন, তাঁদের কর্মীদের ৩১ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন জমা দিতে হবে। এরপর আর কর্মীদের ভিসার আবেদন নেবে না দেশটি। যাঁরা ইতিমধ্যে ভিসা নিয়েছেন বা নেবেন; তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের শেষ সময় আগামী ৩১ মে।

 

এই সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেনি এমন কর্মীদের কোটার সম্পূর্ণ বিবরণ এবং আরটিকে ২.০ প্রক্রিয়ার ফলাফল পাওয়ার পরে বিদেশি কর্মী কোটা পুনরায় চালু করার বিষয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে শেষ হবে ৩০ জুন। সরকার নতুন করে বিবেচনা করার আগে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান কোটাও বিবেচনা করবে যা এখনও ব্যবহার করা হয়নি।

 

স্টিভেন সিম বলেন, কোনো অব্যবহৃত কোটা এমন গুরুত্বপূর্ণ খাতে পুনঃনির্দেশিত হবে যেখানে জনবলের প্রয়োজন রয়েছে এবং দেশের অর্থনীতিতে উচ্চ প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

 

সিম বলেন, ১৬ জানুয়ারি, মানবসম্পদ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে যৌথ কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আরও নিয়মতান্ত্রিক এবং কম আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতিমালায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া ২৯ মাস থেকে কমিয়ে ১৫ মাস করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, “সরকার নতুন কোটার ওপর থেকে স্থবিরতা তুলে নিলেই এই নতুন নীতি শুরু হবে।” তিনি লিম গুয়ান ইং (পিএইচ-বাগান) এর বিদেশি কর্মীদের অবস্থা, দেশের জনবলের চাহিদা এবং উদ্ভূত সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

 

এ দিকে শ্রমের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে দেশের বাণিজ্য কোম্পানি এর আগে সরকারকে কোটা অনুমোদন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে।