ঢাকা , রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর মালয়েশিয়ায় চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম প্রবাসীদের ঈদ উদযাপন বাস্তবতা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা, চিকিৎসাধীন আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সার্কের মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় মালয়েশিয়ায় বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুমতি ছাড়া আতশবাজি বিক্রি:মালয়েশিয়ায় ২ বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩ বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসায় মালয়েশিয়ার সাবেক মন্ত্রী এম সারাভানান কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে বিমান ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য

কুয়ালালামপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪
  • / 35

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় মালয়েশিয়ায় উদযাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশের ৫৪ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে দিবসটি উপলক্ষ্যে নানা আয়োজন করা হয়। আয়োজনের প্রথম পর্বে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান সকালে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর,তিনি উপস্থিত সকলকে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত।

 

অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা পর্বে, হাইকমিশনার মোঃ শামীম আহসান তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। ঐতিহাসিক এই দিনটির প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন তার স্বপ্নের সোনার বাংলার জন্য সংগ্রাম করেছেন।

 

বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সমগ্র বাঙালি জাতিকে এক সুতায় সংযুক্ত করে। যা দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করেছে। বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা ‘ নির্মাণের স্বপ্নকে অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। এজন্য তিনি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ একটি গতিশীল অর্থনীতি ও সম্ভাবনার দেশে পরিণত হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য , শিক্ষা বিভিন্ন সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

 

গৌরবময় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানান এবং মিশনের কাঙ্ক্ষিত সেবা সম্প্রসারণে আন্তরিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে প্রবাসীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য,গত ৮ মার্চ ২০২৪, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫৩ তম বার্ষিকী এবং জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রায় ৪০০ অতিথির উপস্থিতিতে একটি কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম চি কিয়ং, সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

কুয়ালালামপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

আপডেটের সময় : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় মালয়েশিয়ায় উদযাপন করা হয়েছে, বাংলাদেশের ৫৪ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে দিবসটি উপলক্ষ্যে নানা আয়োজন করা হয়। আয়োজনের প্রথম পর্বে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান সকালে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর,তিনি উপস্থিত সকলকে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

 

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত।

 

অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা পর্বে, হাইকমিশনার মোঃ শামীম আহসান তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। ঐতিহাসিক এই দিনটির প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন তার স্বপ্নের সোনার বাংলার জন্য সংগ্রাম করেছেন।

 

বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সমগ্র বাঙালি জাতিকে এক সুতায় সংযুক্ত করে। যা দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করেছে। বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা ‘ নির্মাণের স্বপ্নকে অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। এজন্য তিনি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ একটি গতিশীল অর্থনীতি ও সম্ভাবনার দেশে পরিণত হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য , শিক্ষা বিভিন্ন সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

 

গৌরবময় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানান এবং মিশনের কাঙ্ক্ষিত সেবা সম্প্রসারণে আন্তরিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে প্রবাসীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেখ্য,গত ৮ মার্চ ২০২৪, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫৩ তম বার্ষিকী এবং জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রায় ৪০০ অতিথির উপস্থিতিতে একটি কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম চি কিয়ং, সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।