ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনা খরচে আরো ৫০ ক‍‍র্মী মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে আজ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিজনেস অটোমেশন সদস্যরা রিয়াদে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত আন্ত‍র্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের নানা আয়োজন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মালয়েশিয়ায় চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট সেবা বিনা খরচে কর্মী পাঠানো বাড়াতে সকলকে দায়িত্বশীল থাকতে হবে: প্রবাসী কল্যাণ সচিব বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে আরো ১১৯ ক‍‍র্মী, আজ আনুষ্ঠানিক বিদায় মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের পদচারণ: ২২০টি স্থানে ইমিগ্রেশনের নজরদারি প্রবাসীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আইনমন্ত্রীর সাথে সেন্টার ফর এনআরবি প্রতিনিধি দলের বৈঠক মুক্তি পেলেন মালয়েশিয়ায় আটক বিএনপি নেতা কাইয়ুম

মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে আরো ৮৫ বাংলাদেশি আটক

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • আপডেটের সময় : ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 74

 

মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে ৮৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে অভিবাসন বিভাগ। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাদের আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক, বাহারউদ্দিন তাহির এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২৪ জানিুয়ারি (বুধবার) রাজ্যের সেনাই এলাকায় বেশ কয়েকটি কারখানায় অপস মাহির নামের এই অভিযানে সঠিক ভ্রমণ নথি বা কর্মসংস্থানের অনুমতি নেই এমন বিদেশি কর্মীদের আটক করা হয়েছে। ২০ থেকে ৪৭ বছর বয়সী ৬৯ বাংলাদেশী পুরুষ, ৭ ভারতীয় পুরুষ, ৪ শ্রীলঙ্কার পুরুষ এবং এক মিয়ানমারের দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।

 

বুধবার স্থানিয় সময় সকাল ১১টায়, জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের ১০০ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসারের সমন্বয়ে অভিযান শুরু হয় । “সেনাইয়ের একটি উপাদান কারখানায় অভিযান চালানো হয়। কারখানায় কর্মসংস্থানের অনুমতি ছাড়াই কাজ করার সন্দেহে বিদেশী অভিবাসীরা রয়েছে বলে জনসাধারণের তথ্যের পরে এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযান চলাকালীন সময়ে এনফোর্সমেন্ট অফিসাররা ৩২৮ বিদেশীর কাগজপত্র চেক করেছে।

 

বাহারউদ্দিন বলেন, বৈধ পাসপোর্ট বা ওয়ার্ক পারমিট না থাকায় এবং অতিরিক্ত অবস্থান করার কারণে আটককৃত শ্রমিকদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫) এর ধারা ৬(১)(সি) এবং ধারা ১৫(১)(সি) লঙ্ঘন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আটকরা, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর রেগুলেশন ৩৯(বি) এর অধীনে তাদের পাসপোর্টের শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছে। বাহারউদ্দিন বলেন, বুধবার স্থানিয় সময় বিকেল ৩.৫০ টার দিকে সেনাইয়ের বেশ কয়েকটি খাদ্য ও বিভিন্ন প্রাঙ্গণে অনুরূপ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ।

 

অভিযানে এনফোর্সমেন্ট অফিসাররা ১১০ জন বিদেশীর কাগজপত্র চেক করার পর অভিবাসন অপরাধে ৪০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৯ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী, মায়ানমারের ২ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী, বাংলাদেশের ৬, ২ জন পাকিস্তানি, একজন নেপালি ও ১ জন ভারতের ।

 

একই দিনে (বুধবার) সেরেমবান এলাকায় স্থানীয় অভিবাসন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১১০ বিদেশিকে আটক করে। তাদের মধ্যে অন্তত ১০ বাংলাদেশি রয়েছেন। রাজ্যের অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আইক কিয়াং বলেছেন, নথিবিহীন বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটককৃত ১১০ বিদেশির মধ্যে ৯১ জন পুরুষ।

 

অভিযানের পর তিনি বলেন, ‘‘অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে অভিবাসী শ্রমিকদের আটক করা হয়েছে। তারা মেয়াদ শেষের পর অতিরিক্ত সময় ধরে অবস্থান এবং অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন।’’

আটককৃতদের মধ্যে ৬৪ জনই মিয়ানমারের নাগরিক। ইন্দোনেশীয় ১৩, বাংলাদেশি ১০, ভারতীয় ৬, পাকিস্তানি ৯, শ্রীলঙ্কান ৬ এবং নেপালি ২ নাগরিকও রয়েছেন। কেনিথ তান আইক কিয়াং বলেন, বেশিরভাগ বিদেশি ওই এলাকায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও নির্মাণ স্থাপনায় কাজ করতেন।

শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে আরো ৮৫ বাংলাদেশি আটক

আপডেটের সময় : ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

 

মালয়েশিয়ায় পৃথক অভিযানে ৮৫ বাংলাদেশিকে আটক করেছে অভিবাসন বিভাগ। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাদের আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক, বাহারউদ্দিন তাহির এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২৪ জানিুয়ারি (বুধবার) রাজ্যের সেনাই এলাকায় বেশ কয়েকটি কারখানায় অপস মাহির নামের এই অভিযানে সঠিক ভ্রমণ নথি বা কর্মসংস্থানের অনুমতি নেই এমন বিদেশি কর্মীদের আটক করা হয়েছে। ২০ থেকে ৪৭ বছর বয়সী ৬৯ বাংলাদেশী পুরুষ, ৭ ভারতীয় পুরুষ, ৪ শ্রীলঙ্কার পুরুষ এবং এক মিয়ানমারের দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।

 

বুধবার স্থানিয় সময় সকাল ১১টায়, জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের ১০০ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসারের সমন্বয়ে অভিযান শুরু হয় । “সেনাইয়ের একটি উপাদান কারখানায় অভিযান চালানো হয়। কারখানায় কর্মসংস্থানের অনুমতি ছাড়াই কাজ করার সন্দেহে বিদেশী অভিবাসীরা রয়েছে বলে জনসাধারণের তথ্যের পরে এনফোর্সমেন্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযান চলাকালীন সময়ে এনফোর্সমেন্ট অফিসাররা ৩২৮ বিদেশীর কাগজপত্র চেক করেছে।

 

বাহারউদ্দিন বলেন, বৈধ পাসপোর্ট বা ওয়ার্ক পারমিট না থাকায় এবং অতিরিক্ত অবস্থান করার কারণে আটককৃত শ্রমিকদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫) এর ধারা ৬(১)(সি) এবং ধারা ১৫(১)(সি) লঙ্ঘন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আটকরা, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর রেগুলেশন ৩৯(বি) এর অধীনে তাদের পাসপোর্টের শর্তাবলী লঙ্ঘন করেছে। বাহারউদ্দিন বলেন, বুধবার স্থানিয় সময় বিকেল ৩.৫০ টার দিকে সেনাইয়ের বেশ কয়েকটি খাদ্য ও বিভিন্ন প্রাঙ্গণে অনুরূপ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ।

 

অভিযানে এনফোর্সমেন্ট অফিসাররা ১১০ জন বিদেশীর কাগজপত্র চেক করার পর অভিবাসন অপরাধে ৪০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৯ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী, মায়ানমারের ২ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী, বাংলাদেশের ৬, ২ জন পাকিস্তানি, একজন নেপালি ও ১ জন ভারতের ।

 

একই দিনে (বুধবার) সেরেমবান এলাকায় স্থানীয় অভিবাসন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১১০ বিদেশিকে আটক করে। তাদের মধ্যে অন্তত ১০ বাংলাদেশি রয়েছেন। রাজ্যের অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আইক কিয়াং বলেছেন, নথিবিহীন বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে আটককৃত ১১০ বিদেশির মধ্যে ৯১ জন পুরুষ।

 

অভিযানের পর তিনি বলেন, ‘‘অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে অভিবাসী শ্রমিকদের আটক করা হয়েছে। তারা মেয়াদ শেষের পর অতিরিক্ত সময় ধরে অবস্থান এবং অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন।’’

আটককৃতদের মধ্যে ৬৪ জনই মিয়ানমারের নাগরিক। ইন্দোনেশীয় ১৩, বাংলাদেশি ১০, ভারতীয় ৬, পাকিস্তানি ৯, শ্রীলঙ্কান ৬ এবং নেপালি ২ নাগরিকও রয়েছেন। কেনিথ তান আইক কিয়াং বলেন, বেশিরভাগ বিদেশি ওই এলাকায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও নির্মাণ স্থাপনায় কাজ করতেন।