ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যে কারণে ভিসা স্থগিত করলো ওমান: জানালো দূতাবাস

ঢাকায় অবস্থিত ওমান দূতাবাস|

Print Friendly, PDF & Email

 

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে এক থেকে দেড় লাখ কর্মী যায় ওমানে। কিন্তু বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সম্প্রতি ওমানের ভিসা স্থগিতাদেশ নিয়ে চলছে নানা মহলে জল্পনা-কল্পনা। কেউ কেউ বলছেন, পশ্চিমা শক্তির প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (০২ নভেম্বর) ঢাকার ওমান দূতাবাস থেকে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির শ্রমবাজারের চাহিদা ও এর স্থিতিশীলতা সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ওমান দূতাবাস।

 

তবে ঢাকায় অবস্থিত ওমান দূতাবাস বলছে, রাজনৈতিক কারণে এই পদক্ষেপ নয়। বরং বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও ভিসা স্থগিতাদেশ সমভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে নিশ্চিত করতে চাই, ওমান কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই রাজনৈতিক গতি- প্রকৃতির নয়। ওমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের অসামান্য অবদানের কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও প্রশংসার সঙ্গে স্মরণ করে ওমান। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্পর্ক জোরদারেও দেশটি সর্বদা আগ্রহী।

 

গত মঙ্গলবার ওমান রয়্যাল পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা দেওয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

 

এদিকে চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে রেমিট্যান্সে ধীর গতি থাকলেও সম্প্রতি প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা ২.৫% থেকে বাড়িয়ে ৫% করায় গেল অক্টোবরে আবারো বৃদ্ধি পায় প্রবাসী আয়ের পরিমাণ।

 

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বৃদ্ধি সাময়িক। বরং নতুন শঙ্কা ওমানে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিতের ঘটনা। এতে ভবিষ্যতে দেশে প্রবাসী আয় কমার নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এ খাতের বিশ্লেষকরা।

Tag :

যে কারণে ভিসা স্থগিত করলো ওমান: জানালো দূতাবাস

আপডেট: ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
Print Friendly, PDF & Email

 

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে এক থেকে দেড় লাখ কর্মী যায় ওমানে। কিন্তু বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সম্প্রতি ওমানের ভিসা স্থগিতাদেশ নিয়ে চলছে নানা মহলে জল্পনা-কল্পনা। কেউ কেউ বলছেন, পশ্চিমা শক্তির প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (০২ নভেম্বর) ঢাকার ওমান দূতাবাস থেকে এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির শ্রমবাজারের চাহিদা ও এর স্থিতিশীলতা সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ওমান দূতাবাস।

 

তবে ঢাকায় অবস্থিত ওমান দূতাবাস বলছে, রাজনৈতিক কারণে এই পদক্ষেপ নয়। বরং বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও ভিসা স্থগিতাদেশ সমভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে নিশ্চিত করতে চাই, ওমান কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই রাজনৈতিক গতি- প্রকৃতির নয়। ওমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের অসামান্য অবদানের কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও প্রশংসার সঙ্গে স্মরণ করে ওমান। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্পর্ক জোরদারেও দেশটি সর্বদা আগ্রহী।

 

গত মঙ্গলবার ওমান রয়্যাল পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা দেওয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

 

এদিকে চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে রেমিট্যান্সে ধীর গতি থাকলেও সম্প্রতি প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা ২.৫% থেকে বাড়িয়ে ৫% করায় গেল অক্টোবরে আবারো বৃদ্ধি পায় প্রবাসী আয়ের পরিমাণ।

 

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বৃদ্ধি সাময়িক। বরং নতুন শঙ্কা ওমানে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিতের ঘটনা। এতে ভবিষ্যতে দেশে প্রবাসী আয় কমার নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এ খাতের বিশ্লেষকরা।