মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে দ্রুত কর্মী পাঠাতে ছুটির দিনেও কাজ করছে মন্ত্রণালয়ের পুরো টিম। এমনকি মন্ত্রী, সচিব, বিএমইটির মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাও বিরামহীর কাজ করছেন। দেশটিতে যেতে কর্মীদের কতো খরচ নির্ধারণ করা হবে এবং সেটি কিভাবে বাস্তবায়ণ হবে, বিএমইটির ডাটাব্যাংকে নিবন্ধন পদ্ধতি কী হবে, কর্মীদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পদ্ধতি চুড়ান্ত করছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
শনিবার (১১ জুন) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ – বেবিচকের সহযোগিতায় নির্মিত বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বুথ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ইমরান আহমদ। এসময় মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্মী পাঠাতে চেষ্টা করছেন তারা। জুনের মধ্যেই দেশটিতে কর্মী যাওয়া শুরু হবে বলে আবারো জানালেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।
ইমরান আহমদ বলেন, “আমাদের কমিটমেন্ট (অঙ্গিকার), জুন মাসের মধ্যেই কর্মী যাওয়া শুরু হবে। সেই ভাবেই কাজ করছি। আমাদের কিন্তু এখন ছুটি নেই। আমি এখান থেকে আরেকটি মিটিং যাচ্ছি এ বিষয় নিয়েই। ছুটির দিনেও মিটিং করছি।”
মন্ত্রী বলেন, “মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হলে, আমাদের লক্ষমাত্রা দশ লাখের অনেক উপরে যাবে। বিভিন্ন হিসাবে লক্ষমাত্রা আট লাখ ধরা আছে। সেটা কিন্তু এরই মধ্যে ছাড়িয়ে গেছে।”
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, “কর্মীরা বেশি টাকা দিয়ে বিদেশ গেলে সেই টাকা তুলতে পারেন না। তাই এই বেশি টাকা নেয়া আমার কাছে গ্রহনযোগ্য না। মালয়েশিয়ার বিষয়ে আমরা সেইভাবে পদ্ধতি ঠিক করছি, যাতে কর্মীরা সর্বনিম্ন খরচে যেতে পারেন। মালয়েশিয়ায়র মন্ত্রী এম সারাভানানা সাহেব বারবার বলেগেছেন গণমাধ্যমের সামনে, ‘শ্রমিকরা জিরো কষ্টে যাবে’। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ি ওখানকার নিয়োগদাতারা খরচ দিবে। এই বিষয়টা আপনারা একটু গুরুত্বদিয়ে প্রচার করবেন। সেটা কিভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, আমরা সেই চেষ্টা করছি। যদি হয়, তাহলে আমদের কর্মীরা কম খরচে যেতে পারবেন।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী কল্যান মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান ও প্রবাসী কল্যান ব্যংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাহিদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা।