1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

আাড়াই মাস পর দেশের মাটিতে মালয়েশিয়া প্রবাসী জহিরের লাশ দাফন

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২
Print Friendly, PDF & Email

 

রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যু, মালয়েশিয়ার হসপিটালের মর্গে পড়ে থাকা প্রবাসী গাইবান্ধার মো. জহিরুল ইসলাম জবুর(৫৫) এর মরদেহ আড়াই মাস দেশে পৌঁছায়। ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯ টার একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছে। লাশটি গ্রহণ করেন জহিরুল ইসলামের ভাতিজি মোছা. রোমানা আক্তার।

এর পরের দিন পহেলা জানুয়ারি জহিরের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে দাফন সম্পন্ন করা হয়। জহিরুল ইসলাম জবু গাইবান্ধা সদর বিষ্ণুপুর গ্রামের কবির পাড়ার মৃত হোসেন আলী মুন্সির পুত্র। জহির ২৭ বছর আগে চাকুরি নিয়ে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। দেশে বিয়ে সাদি না করায় তার কোন স্ত্রী সন্তান ছিল না। পিতা মাতা আগেই মারা গেছেন।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর জন্ডিশ ও লিভারের রোগে আক্রান্ত্র হয়ে মালয়েশিয়ার ইপুহ এলাকার রাজা হসপিটালে মারা যান। তার লাশ দেশে নেওয়ার মত পরিবারের সামর্থ্য না থাকায় হসপিটালের মর্গে পড়েছিল ১৭ দিন। এই সময় ” টাকার অভাবে হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে প্রবাসীর মরদেহ ” এই শিরোনামেজিাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টোলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল ২ রা নভেম্বর। মরদেহ দেশে ফেরত পাঠাতে মালয়েশিয়ার কোন কমিউনিটি বা সংগঠন এগিয়ে না আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মালয়েশিয়ায় দাফন করার জন্য স্বিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিল।

সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর মুহুর্তে মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসল মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ চেম্বার’স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, লন্ডনস্থ ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশি সংগঠণ এবং জন হিতৈষী প্রবাসীরা। জহিরের মরদেহ দেশে পাঠাতে অর্থের যোগান সহ অন্যন্যা সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ চেম্বার’স এন্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জনাব মাহবুব আলম শাহ। জহিরের তথ্য ও উপাত্ত সহ বাংলাদেশের মন্ত্রনালয় থেকে ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করেন কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা।

লাশটি দেশে পাঠাতে নানা জটিলতায় পড়তে হয়েছে প্রবাসী নেতৃবৃন্দদের। প্রবাসীদের লাশ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানিয়ে বলেন, শুধু মাত্র বাংলাদেশেরের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতেই ২ মাস সময় লেগে গেছে। আর এদিকে জহির মরদেহ মর্গে থাকার পরও পঁচে গলে গেছে। দেশের বাড়িতে নিয়ে দাফনের আগে লাশের মূখ দেখতে পারেনি স্বজনরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে দাফন সম্পন্ন করতে হয়েছে।

লাশ দেশে প্রেরণ বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, জহিরের কোন বৈধ বা ভ্যালিড পাসপোর্ট ও ভিসা ছিল না, এমনকি মৃত্যুর সময় তার সাথে যে পাসপোর্টের ফটোকপি পাওয়া গিয়েছিল সেটা ছিল নরসিংদী জেলার অন্য এক ব্যক্তির, পরে অনেক খোঁজাখুজির পর জানা গেল জহিরের আসল ঠিকানা গাইবান্ধা জেলার সদরে, তিনি আরো বলেন তার যথাযথ ডকুমেন্টস না থাকার কারণে বাংলাদেশের সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের ক্লিয়ারেন্স নিতে এতদিন সময় লেগেছে।

এদিকে লন্ডন্স্থ ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশি সংগঠণ জহিরের পরিবারকে অর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাসও পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি সংগঠণের নেতৃবৃন্দ ভার্জুয়ালি আলোচনাও কেরেছন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews