1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইতালিতে সিজনাল ও স্পন্সর ভিসা: বাংলাদেশিদের যা জানা প্রয়োজন মার্কিন ফেডারেল কোর্টের বিচারপতি হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নুসরাত বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত খাবার-পোশাক-আসবাব নিতে আগ্রহী মেক্সিকো মালদ্বীপে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ গোলাপগঞ্জে ইউরোপ-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদককে সংবর্ধনা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর ফরাজী মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: রিক্রুটিং এজেন্সি ইস্যুতে নতুন করে চিঠি চালাচালি জেদ্দায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ঢাকা-শারজাহ রুটে বিমানের ফ্লাইট ২৫ জানুয়ারি থেকে মালদ্বীপে ফের বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে প্রতারণা করলে জেল-জরিমানা

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া:
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

মালয়েশিয়ায় গত ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া। রিকেলিব্রেশন নামে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বৈধরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মত কোন ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি।

এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানব সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদি কোন তৃতীয় পক্ষ, এজেন্ট বা দালাল শ্রমিকদের সাথে কোনরকম প্রতারণা বা জালিয়াতি করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রনালয়।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর)  মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রনালয় (কেএসএম) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রমিক নিয়োগে কোন ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

অপরাধ প্রমানিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদন্ড এবং ২ লাখ রিংগিত যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যাবস্থা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী কর্মী রি-হায়ারিং প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দালাল ও এজেন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের  লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্রতারনা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছিল। এই প্রতারনার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।  কারণ প্রতারক চক্র অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট হাতিয়ে নেওয়ার সময় কোন মানিরিসিট বা কোনো ডকুমেন্টস দেয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews