1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

সাংসদ পাপুল ও তার স্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি সাংসদ পাপুল ও তার স্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা।
Print Friendly, PDF & Email

 

মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে গ্রেফতার বাংলাদেশি সাংসদ মোহাম্মদ শহীদ ইসলাম ওরফে কাজী পাপুল ও তার স্ত্রী, শ্যালিকা, মেয়েসহ চারজনের মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে দুদকের উপপরিচালক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় ১৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে এমপি পাপুল, তার স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি কাজী সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাপুলসহ সাত-আটজনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে সংশ্নিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা কথাও জানিয়েছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানে পাপলুর শ্যালিকা জেসমিন প্রধানের নামে দুই কোটি ৩১ লাখ টাকার একটি এফডিআরের সন্ধান পাওয়া গেছে। জেসমিন তথ্য গোপন করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর থেকে পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। তাই তার বিরুদ্ধে দুদক আইন-২০০৪-এর ২৭(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া পাপুল, তার স্ত্রী ও মেয়ে অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা করেন।

ওইসব এফডিআরের বিপরীতে জেসমিন প্রধান ২৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেন। বিভিন্ন ব্যাংকে জেসমিন প্রধানের নিজ নামে ও তার স্বার্থসংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে করা ব্যাংক হিসাবে ২০১২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত মোট ১৪৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা জমা হয়। পরে এসব হিসাব থেকে ১৪৮ কোটি ২১ লাখ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন হয় ।

এর আগে পাঁচ বাংলাদেশির সাক্ষ্যগ্রহণে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জবানবন্দিতে তারা জানান, কুয়েতে আসার বিনিময়ে তারা তিন হাজার দিনার (৯ হাজার ৭৪৩ ডলার) প্রদান করেছেন। ভিসা নবায়নের জন্যও বার্ষিক অর্থ প্রদান করেছেন। এ ছাড়া, চুক্তির মাধ্যমে কাজ পেতে পাপুল কুয়েতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ হিসেবে পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি দিয়েছিলেন।

মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে চলতি বছরের গত জুনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি পাপুলকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েতের সিআইডি। তিনি বর্তমানে দেশটির কারাগারে আছেন। গোয়েন্দাদের রিমান্ডে পাপুলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কুয়েতের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে পাপুলের নামে জমা থাকা ১৩৮ কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews