1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

৫ লাখ শ্রমিক সংকটে মালয়েশিয়ার পাম ও কৃষি খাত, উৎপাদন ব্যাহত

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

কোভিড -১৯ এর বিস্তার রোধে বিধিনিষেধের কারণে পাম বাগানে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া এবং অন্যান্য দেশে মহামারি করোনা ভাইরাস রোধে ঘরে বসে থাকার আদেশের কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে নিয়োগ স্থগিত থাকায় প্রায় ৫ লক্ষাধিক শ্রমিক সংকটে পড়েছে এ খাত।

মালয়েশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের (এমপিওএ) প্রধান নির্বাহী নাগিব ওয়াহাব জানিয়েছেন, গত তিন মাসে নতুন কোন শ্রমিক পাননি তারা।  লকডাউন চলাকালীন অনেক শ্রমিক প্রত্যাবাসনে চলে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির পামওয়েল উৎপাদন এবার কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সিম ডার্বি প্ল্যানটেশনস এবং এফজিভি হোল্ডিংসের মতো বড় প্লান্টারের প্রতিনিধিত্বকারীরা চায়, বিদ্যমান শ্রমিকদের কাজের পারমিট বাড়ানো এবং বাংলাদেশের মতো দেশগুলি থেকে নিয়োগ দ্রুত করা। মালয়েশিয়ান পাম তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, পামবাগানে কাজ করা শ্রমিকদের প্রায় ৭০ শতাংশই আসে ইন্দোনেশিয়া থেকে। দুই দেশের সংস্কৃতিতে অনেক বেশি মিল থাকায় এবং তুলনামূলক বেশি আয় হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ান শ্রমিকরা মালয়েশিয়াতে প্রচুর পরিমাণে কাজ করতে আসে।

এ ছাড়াও সম্প্রতি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বিদেশীদের উপর কড়াকড়ি বিভিন্ন নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলো বলছে, করোনায় কম শ্রমিকের জন্য এবারের তেল উৎপাদন প্রভাবিত হবে। তারা বলছেন বর্তমানে শ্রমিক পাওয়া এখন দূরুহ ব্যাপার। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া থেকে।

তবে উদ্ভিদ ও পণ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ খায়রউদ্দিন আমান রাজালী, এ খাতে স্থানীয় শ্রমিক নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িদের। সম্প্রতি সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা বার্নামা টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে খায়রুউদ্দিন এ কথা বলেন। তিনি আরোও বলেন, বিদেশী কর্মীদের বর্তমান ব্যাচ হ’ল ওয়ার্ক পারমিট। যখন তাদের অনুমতি শেষ হয়, তখন তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে স্থানীয়দের এ কাজে নিয়োগ দেয়া আমাদের জন্য একটি সুযোগ। মন্ত্রী বলছেন, বৃক্ষরোপণ ও পণ্য খাত, যার মধ্যে খেজুর, কোকো এবং রাবার রয়েছে, বর্তমানে ২ লাখ ২০ হাজার স্থানীয় এবং ২ লাখ ৬৫ হাজার ৩৯৭ নিবন্ধিত বিদেশী কর্মী এ সেক্টরে কাজ করছে। তবে ৫ লক্ষাধিক শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে পাম ওয়েলের পাশাপাশি খেজুরের আবাদ কৃষিক্ষেত্রের মোট ১৮%। পর্যাপ্ত শ্রমিক না থাকায় খেজুর ফল নষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews