1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

১৮ মার্চের আগের সৌদি ভিসা বাতিল হলে ফি ফেরত দেয়া হবে

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

বিশেষ প্রতিবেদক: সৌদি আরবের নিয়োগদাতা ইস্যু হওয়া কোনো ভিসা বাতিল করলে, সেই ভিসার জন্য সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া ফি ফেরত নিতে পারবেন। অর্থাৎ সৌদি আরবে কর্মী ভিসার জন্য সরকারকে স্টাম্পিং বা অনুমোদনের জন্য দুই হাজার রিয়াল জমা দিতে হয়। কোন কোম্পানি ইস্যুকৃত ভিসা বাতিল করতে চাইলে এতদিন ফি ফেরত পেত না। সৌদি সরকারের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকেে এই ফি কোম্পানিগুলো ফেরত পাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রবাস বার্তাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রম ও কাউন্সিলর মেহেদী হাসান। এর আগে ২৯ এপ্রিল রাতে সৌদি গেজেট এর অনলাইনে সৌদি আরবের মানব সম্পদ ও সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকেই জনশক্তি প্রেরণ খাতসহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন করেন তাহলে কি সৌদি আরবে যেতে অপেক্ষায় থাকা প্রায় লাখ খানেক বাংলাদেশী কর্মীর ভিসা বাতিল হবে?

শ্রম কাউন্সেলর মেহেদী হাসান জানান, সৌদি আরব থেকে ভিসা ইস্যু করতে নিয়োগদাতা সরকারকে দুই হাজার রিয়াল করে জমা দেয়। কোন কারণে ভিসা বাতিল হলে বা কর্মী না গেলে এই টাকা ফেরত পাওয়া যেত না। সৌদি মন্ত্রণালয়ের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী  ১৮ মার্চ এর আগে ইস্যু হওয়া ভিসা বাতিল করলে এই টাকা নিয়োগদাতা ফেরত নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৌদিআরবে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তাও অনিশ্চিত। এ কারণে অনেক কোম্পানি আগে ইস্যুকৃত ভিসা বাতিল করতে পারে। তাই সৌদি সরকার নিজেদের নিয়োগদাতার সুবিধার্থে এই বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে।

এতে করে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে কিনা, এমন প্রশ্নে মেহেদী হাসান জানান, বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে সৌদি নিয়োগদাতার সম্পর্ক বা চুক্তি কী আছে তার ওপর নির্ভর করবে লাভ ক্ষতি। কোন কোম্পানি যদি ভিসা বাতিল করে সে ক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্সিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে জনশক্তি প্রেরণকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ- বায়রা মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান প্রবাস বার্তাকে বলেন, তাদের প্রায় ১ লাখের মতো ভিসা ঝুলে আছে। এর মধ্যে কিছু আছে যেগুলো ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স কার্ড হয়েছে। ১০ হাজারের মত ভিসা সব কাজ সম্পন্ন করে টিকেট করা হয়েছিল। এখন সেসব ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। সৌদি আরব যদি এসব ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে বড় ঝুঁকিতে পড়বে জনশক্তি প্রেরণ খাত। অনেক ব্যবসায়ী পথে বসার উপক্রম হবে বলেও মনে করেন তিনি।

বায়রার সদস্য কল্যাণ সচিব কফিল ঊদ্দিন মজুমদার বলেন, “সহজে ভিসা বাতিল হলে জনশক্তি খাতে চরম বিপর্যয়ে পড়বে। বাংলাদেশি কর্মীদের একমাত্র আশার আলো ছিল সৌদি শ্রম বাজার। রিক্রুটিং এজেন্সির কাছে লাখ খানেক কর্মীর ভিসা প্রক্রিয়াধীন ছিল বিভিন্ন পর্যায়ে। যা করোনা মহামারির কারণে স্থগিত ছিল এতদিন। এই ভিসার মেয়াদ না বাড়িয়ে যদি বাতিল করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ এ খাতের মুল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রিক্রুটিং এজেন্সীগুলো বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। একইসাথে রেমিট্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রবাব পড়বে।”

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews