1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বায়রায় অর্থসংকট, লাইসেন্স নবায়নে টাকা দিতে চাননি সভাপতি

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

বিশেষ প্রতিনিধি: জনশক্তি প্রেরণকারী ব্যবসায়িদের সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ- বায়রায় অর্থ সংকট চলছে। এ কারণে সংগঠনের নানা উন্নয়নমূলক কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে গাজিপুরের কড্ডায় বায়রা ট্রেনিং সেন্টারের কাজেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বায়রার এমন সংকটের কথা জানালেন খোদ সভাপতি বেনজীর আহমদ (এমপি) ।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ মার্চ বায়রা সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান। বেনজীর আহমদ জানান, বায়রার তহবিলে এখন অর্থ সংকট চলছে। আর এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে গেলো বছরের সদস্যদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা দেয়ার কারণে। বায়রা সভাপতি জানান, সেসময় তিনি ঐ টাকা ( সদস্যদের লাইসেন্স নবায়নের টাকা ) দেয়ার পক্ষে ছিলেন না। তিনি টাকা দিতে চাননি বলেও উল্লেখ করেন বেনজীন আহমদ। বায়রা সভাপতি বলেন, টাকা থাকলে উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত শেষ করা যেতো। বায়রা কার্যালয়ে নানা কাজ থাকলেও তা করা যাচ্ছে না।

বায়রা ট্রেনিং সেন্টার আগামী ১৫ মে উদ্বোধন করার ইচ্ছার কথাও জানান বেনজির আহমদ। বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিয়ে ট্রেনিং সেন্টার উদ্বোধন করা হবে।

গেলো বছরে সৌদি ভিসা সেন্টার (ড্রপব্কস) বিরোধী আন্দোলনের সময় বায়রার সদস্যদের লাইসেন্স নবায়নের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা করে দেয়া হয়।  সেই টাকা দেয়ার বিষয়ে তখনই সমালোচনা করেন অনেকেই। দুজন সাবেক শীর্ষ নেতার পরামর্শে সেই টাকা দেয়া হয়েছে বলেও গুঞ্জন ছিল।

এতো দিন পরে বায়রার সভাপতির এমন বক্তব্যে সেই গুঞ্জন সত্যি হল বলে মনে করছেন সাধারণ সদস্যদের কেউ কেউ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য বলছিলেন, এতোদিন পর সভাপতির বক্তব্য প্রমাণ করে, তখন কারো পরামর্শ বা প্রভাবে তিনি সদস্যদের লাইসেন্স নবায়নের টাকা দিয়েছেন। যার ফলে এখন সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রথম দিকে সমালোচনা করলেও অধিকাংশ সদস্যই টাকা নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

বেনজীন আহমদ বলেন, “সেসময় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা না দিয়ে যদি পঞ্চাশ হাজার দেয়া হতো তাহালে তো কারো ক্ষতি হতো না। এই অল্প টাকায় ব্যবসায়িদের তেমন কোন উপকার না হলেও বায়রা থেকে প্রায় ৮ কোটি টাকা চলে গেছে। এতে করে সংগঠনের ক্ষতি হয়েছে।”

বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান প্রবাস বার্তাকে জানান, “সেসময় টাকা দেয়া হয়েছিল সাধারণ সভায় আলোচনা করেই। ৬শ জনের মতো সদস্যকে টাকা দেয়া হয়েছে লাইসেন্স নবায়নের জন্য। বায়রার ১২শ সদস্য, সকলেই এই টাকা পাবেন। ব্যবসা মন্দা বলেই সাধারণ সদস্যদের সহায়তা দেয়া হয়েছ।”

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews