1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

করোনা ভাইরাস: মালয়েশিয়া প্রবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ হাইকমিশনের

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০
হাইকমিশনার মহ.শহীদুল ইসলাম
Print Friendly, PDF & Email

 

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া: সর্বশেষ খবর অনুযায়ী এ পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১২৯ জন। এর মধ্যে দুইজনের রোগীর শ্বাসকষ্ট থাকায় নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের অ্যান্টি-ভাইরাল চিকিৎ্সাও দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীই একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মালয়েশিয়া সরকার তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছে। কোভিড-১৯ ঠেকাতে অরোও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় স্থানীয় ও অভিবাসী সবার নিরাপত্তায় আমরা সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মহাপরিচালক দাতুক ডাঃ নূর হিশাম আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, আমরা আমাদের প্রত্যেকটি প্রদেশ এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ এরিয়ায় হাসপাতাল নির্দিষ্ট করে দিয়েছি। যাতে যে কোন দেশের নাগরিক করোনাভাইরাস উপসর্গ প্রকাশ পেলে বা আক্রান্ত হলে চিকিৎসা নিতে পারে। এ নিয়ে আতঙ্কিত কিংবা দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের সকল চেক পয়েন্ট ও বিমানবন্দর গুলোতেও গড়ে তোলা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ এর মহাপরিচালক দাতুক খাইরুল জাইমি দাউদ ও ইমিগ্রেশনের সুরক্ষা ও পাসপোর্ট বিভাগের প্রধান দাতুক মোহাম্মদ জুলফিকার আহমদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে মালয়েশিয়ার সকল ইমিগ্রেশনের পরিচালকদের জানানো হয়েছে, মালয়েশিয়ার সকল অটোগেইট লেন, ন্যাশনাল এনফোর্সমেন্ট এন্ড রেজিষ্ট্রেশন বায়োমেট্রিক সিস্টেমের (এনআরএস) এবং ই-গেইট অটোমেটেড ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম বন্ধ করার বিষয়ে একমত পোষণ করার কথা বলা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এই সকল ই গেইট ও অটোমেটিক গেইট আগামী নির্দেশনা দেয়ার আগ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
এদিকে করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের পরামর্শ দিয়েছে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন।

করোনা ভাইরাস বিষয়ে হাইকমিশনের প্রচারণা

সোমবার হাইকমিশনার মহ.শহীদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, করোনা ভাইরাস জনিত রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে যাবতীয় চিকিৎসার জন্যে মালয়েশিয়া সরকার হাসপাতাল নির্ধারণ করে দিয়েছে। দুঃচিন্তা বা আতঙ্কগ্রস্ত না হবার জন্যে সবাইকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি। আমাদের সকলকে সম্মাবোধের জায়গা থেকে প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম এড়িয়ে চলা এবং মারয়েশিয়া সরকারের আইন মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন হাইকমিশনার । সেইসঙ্গে হাইকমিশনের যে জরুরি নাম্বারগুলো রয়েছে সেগুলোতে ফোন দিয়ে তথ্য জেনে নিতে বলেছেন তিনি।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রবাসীদের করণীয়: আমাদের চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। টেবিল, চেয়ার পরিষ্কার, পরিস্কার ও শুকনো রাখতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধৌত করতে হবে। দৈনিক দুইবার শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু নিদিষ্টস্থানে ফেলতে হবে। হ্যান্ডশেক থেকে বিরত থাকতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে। অসুস্থ হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখাতে হবে। কেবল ঘন ঘন হাত ধোয়ার মতো সহজ উপায়েই এই ভাইরাস মেরে ফেলা সম্ভব।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে করোনাভাইরাস আক্রান্তের শারীরিক অসুবিধা সামান্য। স্বাভাবিক জ্বর-সর্দির মতো।
আক্রান্তদের আড়াই শতাংশের কম মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকতে পারে-যদি তারা বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা বা অন্যান্য বড় রোগে আগে থেকেই আক্রান্ত থাকেন।সুস্থ-সবল মানুষের আক্রান্ত বা ‘সংকটাপন্ন’ হওয়ার হার একেবারে কম।
এই ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত যেমন হচ্ছে, তেমনই সেরেও উঠছে প্রতিদিন।

মনে রাখা যেতে পারে- এই ভাইরাসের উৎস, প্রকৃতি ও সংক্রমণের ধরন সাতদিনের মাথায় শনাক্ত হয়েছিল। যেখানে এইচআইভি এইডসের ক্ষেত্রে সময় লেগেছিল দুই বছর। প্রতিষেধক টিকা উদ্ভাবনের কাজও অনেকদূর এগিয়েছে। ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা সম্ভব।

কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিলে নতুন এই ভাইরাসের বিস্তার ভৌগোলিকভাবেই ঠেকানো সম্ভব।
এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬শ জনে। এছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত ৬০ হাজার ১৯০ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিশ্বব্যাপী ১০৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।
শুধুমাত্র চীনের মূল ভূখন্ডেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৬৯৬ এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯৭ জনের। চীনের পর করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ১৩৪ এবং মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews