1. monir212@gmail.com : admin :
  2. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  3. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনশক্তি রপ্তানি খাতকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরতে মালয়েশিয়ায় বিশেষ কাউন্টার প্রশিক্ষণ শেষে ১৩, ৫০০ টাকা পাবেন ফিরে আসা প্রবাসীরা: মন্ত্রী ইমরান আহমদ আমিরাতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইতালি প্রবেশে বাংলাদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আবার বাড়ল মালয়েশিয়ায় কর্মীদের ভিসা নবায়নে বিলম্ব, দ্রুত সমাধানের চেষ্টা ইমিগ্রেশনের অর্থ সহায়তা পাবেন দেশে ফেরা ২ লাখ প্রবাসী বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আবেদনের মেয়াদ বাড়ল ভূমধ্যসাগরে আবারও নৌকাডুবি, অন্তত ৫৭ জনের মৃত্যু স্পেনের মাদ্রিদে প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ উৎসব ও নৈশভোজ

ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

 

প্রবাস বার্তা: ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে ‘কার্নেট ডি প্যাসেজ’ সুবিধায় আনা গাড়ি জালিয়াতির মাধ্যমে নিবন্ধন করে ব্যবহারের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১  এর পরিচালক মীর মো: জয়নাল আবেদীন শিবলী বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, মামলায় মুসা বিন শমসের এর সাথে আরও চার জনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন- বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারি পরিচালক মো: আইয়ুব আনসারী, গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অটো ডিফাইন এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, মুসা বিন শমসেরের শ্যালক মোঃ ফারুক-উজ-জামান এবং কার্নেট ডি প্যাসেজ সুবিধায় গাড়ি আনা ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী ফরিদ নাবির।

আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী পর্যটকরা একদেশ থেকে অন্যদেশে শুল্ক না দিয়েই গাড়ি নিয়ে ঢুকতে পারেন যে সুবিধায় তাকে বলা হয় ‘কার্নেট ডি প্যাসেজ’। নির্দিষ্ট একটি সময়ে সময়ের জন্য এই সুবিধা পান পর্যটকরা। তবে এই গাড়ি বিক্রি কিংবা হস্তান্তর করা যায় না।

একটি রেঞ্জ রোভার জিপ গাড়ি ২০১৭ সালে ঢাকায় মুসা বিন শমসেরের ছেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করেন  শুল্ক গোয়েন্দারা। মুসা বিন শমসেরের শ্যালক মোঃ ফারুক-উজ-জামানের নামে নিবন্ধিত ওই গাড়িটি।

গাড়িটি উদ্ধারের পর শুল্ক গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, ভোলা বিআরটিএ’র কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে ওই গাড়ি নিবন্ধন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

গাড়িটি জব্দের পর মুসাকে কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। শুল্ক গোয়েন্দারা বলেছিলেন, মুসা বিন শমসের ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই গাড়িতে ২ কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক প্রযোজ্য।

ওই তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে মুসার বিরুদ্ধে মামলা করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সুপারিশ করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

দুই বছর পর সেই মামলা হল। এজাহারে বলা হয়েছে, মামলার আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ফৌজদারি অপরাধ করেছেন।

জনশক্তি রপ্তানি দিয়ে মুসার ব্যবসার শুরু হলেও তার পরিচয় দিতে গিয়ে অস্ত্র ব্যবসার কথাই বেশি আসে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে। বিলাসী জীবন-যাপনের কারণে বিদেশি গণমাধ্যমে অনেক সময় তাকে বলা হয় ‘প্রিন্স অব বাংলাদেশ’।

১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী টনি ব্লেয়ারের নির্বাচনী প্রচারের জন্য ৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আলোচনায় আসেন বাংলাদেশের এই ব্যবসায়ী।

একটি দৈনিকে সুইস ব্যাংকে মুসা বিন শমসেরের ৫১ হাজার কোটি টাকা থাকার খবর ছাপা হয়েছিল। তবে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের পর দুই বছর আগে মুসা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বাংলাদেশে বসে কেউ এত অর্থ উপার্জন করতে পারবে না।

মুসার বিরুদ্ধে একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে, যার অনুসন্ধান করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews