1. monir212@gmail.com : admin :
  2. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  3. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অন্যের পাসপোর্ট দিয়ে টিকা নেয়ার চেষ্টা, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশির ৯ মাসের সাজা আমিরাতগামীদের জন্য শনিবার থেকে বিমানবন্দরে পিসিআর পরীক্ষা মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের ভিসা নবায়ন করবে ইমিগ্রেশন রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামে আবেদনকারীর কোম্পানির অফিসেই হবে ফিঙ্গার প্রিন্ট কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় তৎপর মালয়েশিয়া সরকার বিমানবন্দরে পিসিআর টেস্ট শুরু, পরীক্ষামূলক আমিরাত গেল ৪৬ যাত্রী সৌদি আরবে বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশির মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালি আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাৎ লিসবনে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশের অনুমতি, অনিশ্চয়তায় কর্মী ভিসাধারীরা

আমিরাতের শ্রমবাজার খুলতে যুবরাজের শর্ত ও আমাদের করণীয়

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ জুন, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

 

ইমরুল কায়েস: মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে  সৌদি আরবের পরই তেল সমৃদ্ধ এই মরু দেশটির অবস্থান।

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে দেশটিতে এ যাবৎকাল (মে, ২০১৯) বাংলাদেশ থেকে ২৩ লাখ ৬৮ হাজার ২২৭ জন শ্রমিক কর্মসংস্থানের জন্য গিয়েছে। কিন্তু কতজন কর্মী ফিরে এসেছে সে হিসেব না থাকায় এ মুহুর্তে ঠিক কি সংখ্যক কর্মী আরব আমিরাতে অবস্থান করছে তার প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া মুশকিল। তারপরও এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যে সংখ্যক শ্রমিক প্রবাস জীবন অতিবাহিত করছেন তার বড় অংশই আছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। কিন্তু ২০১২ সালের পর থেকে দেশটি বাংলাদেশ থেকে লোক নেয়া বন্ধ করে দেয়। অর্থাৎ কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আমিরাত সরকার। এরপর  থেকে কিছু সংখ্যক কর্মী গৃহখাতে গেলেও মোটাদাগে এখন পর্যন্ত আমিরাতে লোক পাঠানো বন্ধ রয়েছে।

বন্ধ শ্রমবাজার খুলতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নানা সময়ে দেনদরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এমনকি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আমিরাত সফরের সময়ও এ বিষয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। প্রতিবারই দেশটির সরকারি তরফ থেকে বাংলাদেশের উপর থেকে কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দেয়া হলেও কোন সুফল আসেনি। বন্ধ  শ্রমবাজার এখন পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।  নিষেধাজ্ঞার কবলেই পড়ে আছে শ্রমবাজারটি।

কিন্তু আমিরাতে কেন এই নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশের শ্রমবাজার? এতোদিন এর সঠিক কোন উত্তর খুঁজে পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনর কথায় তা কিছুটা জানা গেল। গত শনিবার (২২.০৬.২০১৯) ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি, যেখানে লেখক নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, “সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী কাম যুবরাজ তাঁকে বলেছেন, বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে আবেগ অনেক বেশি এবং এই আবেগের কারণে তারা ছোটখাট বিষয়ে অপরাধ করে বসেন। যে কারণে বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি কর্মী আমিরাতের জেলখানায় আছেন। বলেও উল্লেখ করেছেন দেশটির যুবরাজ কাম পররাষ্ট্র মন্ত্রী।”

আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর অভিযোগ বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে আইন না মানার প্রবণতা বেশী। এ কারণে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্দুল মোমেনকে কর্মী পাঠানোর আগে আইন মানার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ শর্ত পুরণ হলে শিগগিরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজার খুলে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আমিরাতের যুবরাজ।

যুবরাজের একথাটি মধ্য দিয়ে বল এখন বাংলাদেশের কোর্টে ঠেলে দেয়ার মত পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ তাঁর এ কথায় পরিস্কার যে, যদি  কর্মীদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া যায় এবং আইনকানুন মানার বিষয়ে সচেতন করা যায় তা হলে হয়তো আমিরাতে লোক পাঠানোর বন্ধ দ্বার শিগগিরই উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এই নিশ্চয়তাটি আমিরাত কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশর নিকট থেকে পেতে চায়।

এতোদিনে যেহেতু শ্রমবাজার বন্ধ রাখার কারণটা পরিস্কার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেহেতু বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিতে হবে সরকারকে। দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রত্যেকটি কর্মীকে বিদেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় আইন কানুনের প্রতি সচেতন করা দরকার। এমনকি প্রয়োজনে এ বিষয়টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাধ্যতামুলক করতে হবে। যাতে বিদেশ যাবার আগেই  একজন কর্মী সেদেশের প্রচলিত আইন-কানুন সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা লাভে সক্ষম হন। এতে আইন না মানার যে প্রবণতা তা হয়তো কিছুটা হলেও দূর করা সম্ভব হবে। আমিরাত যুবরাজের এই বক্তব্যটি আমলে নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া গেলে হয়তো শিগগিরই শ্রমবাজার খোলার ব্যাপারে সুখবর পাওয়া যেতে পারে।

একইসাথে আরেকটি বিষয়ে সরকার তথা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সতর্ক হতে হবে। সাম্প্রতিককালে যখনই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্ধ শ্রমবাজার খোলার আভাস পাওয়া যাচ্ছে ঠিক তখনই জনশক্তি রপ্তানিকারকদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট বাজারটি দখলে নেবার জন্য গোপন তৎপরতা শুরু করেছে। এই সিন্ডিকেটকে থামাতে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। নচেৎ এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতার কারণে আবারো যদি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তবে অবাক হবার কিছু থাকবে না।

লেখক: সিনিয়র কূটনৈতিক প্রতিবেদক, বাংলাভিশন।

আরব আমিরাতে বাংলাদেশি কর্মীদের বর্তমান অবস্থা। প্রতিবেদন #TodayBanglaHD’র সৌজন্যে।

https://youtu.be/CGELOPidIkQ

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews