1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন

আইএসএমটির মালয়েশিয়া পাঠানো সেই ১৩০ কর্মীর ১৭ জন আটক

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯
আটক ১৭ কর্মীর কয়েকজনের ছবি
Print Friendly, PDF & Email

 

মিরাজ হোসেন গাজী, বিশেষ প্রতিনিধি : আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি.( রিক্রুটিং এজেন্সি) থেকে মালয়েশিয়া পাঠানো প্রতারিত সেই ১৩০ কর্মীর ১৭ জনকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০ টা থেকে ১২ টার মধ্যে মালাক্কার কোয়ালা সুংগাই বারু এলাকার ভবানী ক্যাম্প থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন সেখানে থাকা এক বাংলাদেশি কর্মী।

সাত মাস বেকার থাকার পর গত ৩০ মে  ১৩০ কর্মীর ৭০ জনকে এই ক্যাম্পে রাখা হয়। বলা হয় মালাক্কা পাওয়ার প্ল্যান্টে তাদের কাজ দেয়া হবে। আর বাকী কর্মীরা কাজ ও বেতন না পাওয়ায় আগেই বাইরে চলে গেছে। যারা এখন অবৈধ হয়ে গেছে।

আটক কর্মীদের কাছে কোন বৈধ কাগজপত্র ছিলো না। তাদেরকে কাগজপত্রও করে দেয়া হয়নি। কর্মীরা যার তত্ত্বাবধানে আছে, অভিযানের সময় কর্মীরা তাকে বারবার ফোন করলেও আসেননি ।

বুধবার ( ১২ জুন)  আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি. এর মালিক আরিফুল ইসলাম প্রবাস বার্তাকে জানান, ‘তাদেরকে মালাক্কা পাওয়ার প্ল্যান্টে কাজ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির কারণে মেডিকেল হয়নি বলেই কাজে যোগ দিতে পারেনি কর্মীরা ।২/৩ দিনের মধ্যেই সবকিছু ঠিক করে তারা কাজে যোগ দিতে পারবে বলেও আশ্বস্ত করেন আরিফুল ইসলাম।’

সাত মাসের পাওনা বেতনের কী হবে- এমন প্রশ্নে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বেতন তো আমি দিবো না। আমরা সব নিয়ম মেনে কর্মী পাঠিয়েছি। বেতন আদায় করার দায়িত্ব হাইকমিশনের। আমারা যোগাযোগ রাখছি, প্রয়োজনে হাইকমিশনের সাথে আলোচনা করে  বেতনের বিষয়টা দেখা হবে।’

জিটুজি প্লাস কলিং ভিসায় গেলো বছরের শুরুর দিকে তাদের মালয়েশিয়া পাঠায় ঢাকার বিতর্কিত ১০ রিক্রটিং এজেন্সির সিন্ডিকেটের একটি আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি. । চায়না কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ভিসায় তাদের পাঠানো হলেও, বাস্তবে কর্মীদের দেয়া হয় আর.কে. কীরানাহ নামের সাপ্লাই কোম্পানীতে। যা জি টু জি প্লাস নিয়মের বাইরে।

এদিকে, জিটুজি প্লাসের নিয়ম অনুযায়ি প্রতিটি ভিসার চাহিদাপত্র মলয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন সত্যায়ন করেছে। সত্যায়নের আগে কোম্পানী পরিদর্শন করে কাজের ধরণ, থাকার ব্যবস্থাসহ যাবতীয় যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অস্তিত্বহীন চায়না কেমিক্যাল কোম্পানীর চাহিদাপত্র কিভাবে অনুমোদন পেলো সেই বিষয়েও কোন জবাব মেলেনি মন্ত্রণালয় থেকে।

এবিষয়ে জানতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন শ্রম কাউন্সেলর জাহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সরকারি তত্ত্বাবধানে কলিং ভিসায় কর্মী বিদেশে যাওয়ার পরও এমন পরিনতিতে হতবাক প্রবাসীর। তারা বলছেন, এখন কর্মীরা কাজ না পেয়ে বেতন না পেয়ে অবৈধ হলে দায় কার?

 

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews