1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন

এখনো কাজ জুটলো না মালয়েশিয়ায় সেই ১৩০ কর্মীর ( ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি : এখনো কাজ পাননি মালয়েশিয়ায় সেই ১৩০ কর্মীর অন্তত ৭০ জন। বাকিরা কাজ ও বেতন না পেয়ে অন্যত্র চলে গেছে। যারা এখন অবৈধ কর্মী । জিটুজি প্লাস কলিং ভিসায় গেলো বছরের শুরুর দিকে তাদের মালয়েশিয়া পাঠায় ঢাকার বিতর্কিত ১০ রিক্রটিং এজেন্সির সিন্ডিকেটের একটি আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি. । চায়না কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ভিসায় তাদের পাঠানো হলেও, বাস্তবে কর্মীদের দেয়া হয় আর.কে. কীরানাহ নামের সাপ্লাই কোম্পানীতে। যা জি টু জি প্লাস নিয়মের বাইরে।

প্রথম দিকে তাদেরকে কিছু দিন করে বিভিন্ন কাজে পাঠালেও, গেলো প্রায় আট মাস বেকার। বেতনও নেই এই সময়ে।

এই কর্মীদের বিষয়ে প্রবাস বার্তাসহ দুটি টেলিভিশনেও রিপোর্ট হয়। কর্মীদের লিখিত অভিযোগ দেয়া হয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহানকে। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদকেও বিষয়টি জানানো হয়। তারও আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে অভিযোগ জানান কর্মীরা। এতো কিছুর পরও প্রতারিত কর্মীদের সমস্যার সমাধান হয়নি।

বুধবার (১২ জুন) প্রবাস বার্তাকে তারা (কর্মীরা) জানান, গণমাধ্যমের তত্পরতার পর গেলো ৩০ মে আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি. এর মালিক আরিফুল ইসলাম মালয়েশিয়া যান। কয়েক দফা কর্মীদের সাথে কথা বলেন। শেষ পর্যন্ত তাদেরকে মালাক্কাতে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ দেয়ার আশ্বাস দেন। নতুন করে ১২৪৮ রিংগিত মূল বেতন ধরা হয় তাদের। কিন্তু এতো দিনেও কাজ দেয়া হয়নি।

এবিষয়ে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কর্মীরা কথা বলতে পারেননি আরিফুল ইসলামের সাথে। তবে তার অফিস থেকে টেলিফোনে জানানো হয়, ‘ তোমাদের কাজ দেয়া না হলেও বেতন পাবা। এতো চিন্তা করো কেনো।’

প্রতারিত কর্মীদের একজন বলেন, ‘আমাদের আগে যারা এই কোম্পানীতে কাজে দেয়া হয়, তারা কাজ করেও বেতন পায়নি। আর আমাদের কাজ ছাড়া বেতন কিভাবে দেবে প্রতিষ্ঠানটি?’

এবিষয়ে আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লি. এর মালিক আরিফুল ইসলাম প্রবাস বার্তাকে জানান, ‘তাদেরকে মালাক্কা পাওয়ার প্ল্যান্টে কাজ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটির কারণে মেডিকেল হয়নি বলেই কাজে যোগ দিতে পারেনি কর্মীরা ।২/৩ দিনের মধ্যেই সবকিছু ঠিক করে তারা কাজে যোগ দিতে পারবে বলেও আশ্বস্ত করেন আরিফুল ইসলাম।’

সাত মাসের পাওনা বেতনের কী হবে- এমন প্রশ্নে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বেতন তো আমি দিবো না। আমরা সব নিয়ম মেনে কর্মী পাঠিয়েছি। বেতন আদায় করার দায়িত্ব হাইকমিশনের। আমারা যোগাযোগ রাখছি, প্রয়োজনে হাইকমিশনের সাথে আলোচনা করে  বেতনের বিষয়টা দেখা হবে।’

এদিকে, জিটুজি প্লাসের নিয়ম অনুযায়ি প্রতিটি ভিসার চাহিদাপত্র মলয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন সত্যায়ন করেছে। সত্যায়নের আগে কোম্পানী পরিদর্শন করে কাজের ধরণ, থাকার ব্যবস্থাসহ যাবতীয় যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অস্তিত্বহীন চায়না কেমিক্যাল কোম্পানীর চাহিদাপত্র কিভাবে অনুমোদন পেলো সেই বিষয়েও কোন জবাব মেলেনি মন্ত্রণালয় থেকে।

এবিষয়ে জানতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন শ্রম কাউন্সেলর জাহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সরকারি তত্ত্বাবধানে কলিং ভিসায় কর্মী বিদেশে যাওয়ার পরও এমন পরিনতিতে হতবাক প্রবাসীর। তারা বলছেন, এখন কর্মীরা কাজ না পেয়ে বেতন না পেয়ে অবৈধ হলে দায় কার?

 

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews