1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন

মালয়েশিয়ায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
Print Friendly, PDF & Email

 

মালয়েশিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকারের বিধিনিষেধের কারণে অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে লাইভ প্রচার করে প্রবাসীদের অংশ নেয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়।

আলোচনা সভার সূচনাতে কোরআন তিলাওয়াতের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি বড় পর্দায় ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয় এবং ৭ মার্চের উপর একে একে পড়ে শোনানো হয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী।

রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খোরশেদ আলম খাস্তগীর ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার তার বক্তব্যে বলেন, ৭ মার্চ বাঙালি-জাতির মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকণ্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন, এর মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক।

তিনি বলেন, সরকার এ দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অনন্য সাধারণ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে অর্জন করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো নিজেই গর্বিত হয়েছে। বাঙালি হিসেবে এটি আমাদের বড় অর্জন।

এ ভাষণের কারণে বিশ্বখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে পয়েট অব পলিটিক্স হিসেবে অভিহিত করে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’য় পরিণত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। মহান এ নেতার সেই স্বপ্নপূরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আলোচনা সভায় দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমোডর মোস্তাক আহমেদ, শ্রম শাখার কাউন্সিলর (২) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, কাউন্সিলর মাসুদ হোসাইন, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার কাউন্সিলর মো. মশিউর রহমান তালুকদার, বাণিজ্য শাখার কাউন্সিলর মো. রাজিবুল আহসান, দূতাবাসের কাউন্সিলর তাহমিনা ইয়াছমিন, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. ফরিদ আহমদসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews