1. monir212@gmail.com : admin :
  2. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  3. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসে পাসপোর্ট-ভিসা কার্যক্রম ফের শুরু মাদ্রিদে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেতে ইতালি আওয়ামীলীগ নেতারা ফিনল্যান্ডে বৃক্ষরোপণ খাতে ৩২ হাজার বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে মালয়েশিয়া মালয়েশিয়ায় স্বদেশী অপহরণের দায়ে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যুদন্ড হতে পারে মালয়েশিয়ায় খুলছে কর্মক্ষেত্র, স্বস্তিতে প্রবাসী কর্মীরা যাত্রীদের সঙ্গে মালয়েশিয়া দিবস উদযাপন মালয়েশিয়ার টেকসই অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রয়েছে বিদেশি শ্রমিকদের এপিএ-তে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের প্রথম স্থান অর্জন বিমানবন্দরের পিসিআর ল্যাব বসছে তিন দিনে, দায়িত্ব পেল ৭ প্রতিষ্ঠান

দেশে ফিরেই রেমিটেন্স যোদ্ধার ঠাঁই ব্র্যাকের সেইফ হোমে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১
Print Friendly, PDF & Email

 

সতেরো বছরের রেমিটেন্স যোদ্ধা নাসির উদ্দীন, বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সন্দীপে। সৌদি থেকে শুন্য হাতে দেশে ফিরেছেন বুধবার রাত ১ টা ৩০ মিনিটে। নাসির উদ্দীনকে গ্রহন করতে রাজি হয়নি পরিবার। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে ঠাঁই ব্র্যাকের সেইফ হোমে।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে ফোন আসলে আমরা বিমানবন্দরে যাই। আমরা এপিবিএন অফিসে যাওয়ার পর দেখি চেয়ারে মাথা নিচু করে রেমিটেন্স যোদ্ধা নাসির উদ্দীন বসে আছেন। যখন ‘বাবা’ বলে ডাকা হলো তখন তিনি চোখ তুলে তাকান। তার চোখ ভেজা। তিনি কাঁদছেন। ঢাকায় থাকা তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে কেউ তাকে গ্রহণ করছে না। অথচ গত ১৭ বছর তিনি তাদের জন্য বিদেশে খেটেছেন।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, বয়োবৃদ্ধ এই কর্মী ২০১৪ সাল পর্যন্ত বৈধ হিসেবে কাজ করেছেন। পরে আকামার মেয়াদ বাড়ানো যায়নি বলে বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেছেন। সর্বশেষ গত ১৮ দিন জেল খেটে দেশে ফিরে আসেন। তার স্ত্রীর সঙ্গে বয়সের ব্যবধান অস্বাভাবিক। সর্বশেষ গত কয়েক মাসে করোনার কারণে তিনি টাকা পাঠাতে পারেননি। এর ফলে তার স্ত্রী তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তার সব অর্থসম্পদও স্ত্রীর জিম্মায় রয়ে যায়। তার দুই সন্তানের এখনো বয়স কম। ফলে তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরুপায় হয়ে সন্দীপে তার বোনের আশ্রয়ে যাবার কথা ভাবছেন। কিন্তু বাড়ি যাওয়ার ভাড়াও তার কাছে নেই।

বিপর্যস্ত মন আর বিধ্বস্ত ও ক্লান্ত শরীর নিয়ে তিনি তাই বসে ছিলেন এয়ারপোর্টে। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে যাবতীয় সহায়তা প্রদানের আশ্বাসে তিনি কিছুটা উজ্জীবিত হন। ব্র্যাকের সেইফ হোমে আসতে রাজি হন। এরপর এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্র্যাকের কাছে হস্তান্তর করেন সকালেই। নেওয়া হয় সেইফ হোমে, সেখান খানিক বিশ্রাম নেয়ার কথা বলে সকাল ১০ টায় ঘুমাতে যান। দুপুরে উঠেননি। সন্ধ্যায়ও তিনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।

দেহ-মনের উপর বয়ে যাওয়া অসহনীয় ধকল কাটানোর জন্য প্রাইমারি এইড হচ্ছে এই ঘুম। স্বল্প কিন্তু ভীষণ কার্যকর এই সেবা ঠিক করে দেয়, কতটা মসৃণ হবে অপেক্ষমাণ বিদেশ ফেরত জীবন। অথচ কোথাও কেউ নেই। কঠিন এই দুঃসময়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামই এইসব কর্মীদের একমাত্র সহায়-অবলম্বন। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভেঙে পড়া স্বপ্ন আর জীবনের শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করছে এই প্রোগ্রাম। নাসির উদ্দীন বর্তমানে ব্র্যাকের সেইফ হোমে অবস্থান করছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews