1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০২:০২ পূর্বাহ্ন

মালয়েশিয়ায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া; প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল আলোচনা

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া:
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

মালয়েশিয়ায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া ও নতুন শ্রমবাজার শিরোনামে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়া’র ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ নভেম্বর মালয়েশিয়া প্রবাসী সাংবাদিকদের এই সংগঠনটির ফেইসবুক পেইজে ক্লাবের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের সঞ্চালনায় ভার্চোয়াল আলোচনায়  মালয়েশিয়ায় বৈধতা প্রক্রিয়া ও কতো টাকা খরচ হবে এবং ছুটিতে থাকা প্রবাসীরা কবে ফিরতে পারবেন এসববিষয় অলোচনায় উঠে আসে।

প্রেসক্লাবের ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান, ডেইলি ষ্টারের কূটনৈতিক সাংবাদিক পরিমল পালমা, বাংলাভিশনের অভিবাসন সাংবাদিক মিরাজ হোসেন গাজী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহ সভাপতি আহমাদুল কবির।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো: জহিরুল ইসলাম বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা প্রদানে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে এখনো কোন নির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি হয়নি। সার্ভিস সেক্টরে একমাত্র মালয়েশিয়া নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

জহিরুল ইসলাম বলেন, বৈধকরন প্রক্রিয়ার পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। সেজন্য কিছুদিন অপেক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকা প্রকাশের পূর্ব পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত বাংলাদেশি প্রবাসীদের কোন ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কর্মীদের বৈধ করার এই প্রক্রিয়াটি পুরোটাই নিয়োগদাতা বা মালিক নির্ভর। সুতরাং এখানে কোন এজেন্ট, দালাল বা তৃতীয় পক্ষের কিছু করার সুযোগ নেই। ফলে কারো প্রলোভনে প্রতারিত না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা মালিক পরিবর্তন করার সুযোগ করে দিয়েছি এবং সফল হয়েছি। এই করোনা ভাইরাস সংক্রমনের মাঝে আমরা (দূতাবাস) কয়েক হাজার কোম্পানির সাথে  যোগাযোগ করেছি।  বেতন বিহীন কর্মী যেন ছাটাই না করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে করোনার মাঝে দেশে ফেরত গেলেও মালয়েশিয়া থেকে একজনকেও কাজ হারিয়ে দেশে যেতে হয়নি।

বৈধতার জন্য কোন শ্রমিককে টাকা দিতে হবেনা। মালিক পক্ষ টাকা পরিশোধ করবে। কোন শ্রমিকদের ইমিগ্রেশন যেতে হবে না। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সোর্স কান্টি হিসাবে যুক্ত হয়েছে। ২০১৮/১৯ সালে দূতাবাস প্রায় লক্ষ পাসপোর্ট বিতরণ করেছে এবং এই করোনার মাঝেও দূতাবাস প্রায় ৭০ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করেছে। পাসপোর্ট ডেলিভারি দিতে ইতোমধ্যে দূতাবাস ৬ জনকে নিয়োগ দিয়েছে। এবং আরো নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মালয়েশিয়া পোষ্ট অফিসের সাথে আমাদের আলোচনা হয়েছে যাতে করে পাসপোর্ট মালয়েশিয়া দূরদূরান্তে কর্মরত কর্মীদের পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে পারি। কাউকে দূতাবাসে আসার প্রয়োজন হবেনা বলে শ্রম কাউন্সিলর জানান।

এছাড়া ছুটিতে গিয়ে দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও মেয়াদ বাড়াতে পারবে এবং সরাসরি মালিক ইমিগ্রেশন ডিজির বরাবর আবেদন করে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। আটকে পড়া প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় বাধা হল করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি। ২য় ধাপে মালয়েশিয়া করোনা পরিস্থিতি খুবই নাজুক। আশা করছি আগামী ৩১ শে ডিসেম্বরের পর এটি তুলে নেয়া হবে। তখন মালয়েশিয়া প্রবেশের কোন সমস্যা হবেনা।

আলোচনায় অংশ নেয়া ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রধান শরিফুল হাসান, ডেইলি ষ্টারের কূটনৈতিক সাংবাদিক পরিমল পালমা, বাংলাভিশনের অভিবাসন সাংবাদিক মিরাজ হোসেন গাজী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহ সভাপতি আহমাদুল কবির, তারা বলছেন, মালয়েশিয়ায় মূলত অদক্ষ খাতের কর্মী বেশি যান।

সমস্যা হলো- মালয়েশিযায় আমাদের কর্মীরা অনেক বেশি টাকা দিয়ে যেতে হয়। যে মেয়াদে তারা যান, সেই সময়ের মধ্যে তারা সেটা তুলতে পারেন না। ফলে তারা অবৈধ হয়ে যান।

ফলে তারা বেতন খুবই কম পান, তাদের কষ্টকর কাজ করতে হয়, সবসময় পুলিশের অভিযানের মধ্যে আতঙ্কে থাকতে হয়। “বেশি সংখ্যক মানুষ অবৈধ থাকায় তাদের বৈধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটা গ্রুপ ব্যবসা করতে শুরু করে। এবার যদিও মালয়েশিয়া সরকার বলছে, কোন তৃতীয় পক্ষ এখানে কিছু করতে পারবে না। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায়, সবসময় এই কর্মীরা প্রতারণার শিকার হয়।”

এর আগে ২০১৫ সালে রি-হায়ারিং নামের অনেকটা একই ধরণের একটা কর্মসূচি শুরু করেছিল মালয়েশিয়ার সরকার। সেইবার প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি নিয়মিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তারপরেও কয়েক লাখ বাংলাদেশি অনিয়মিত থেকে যান। এবারও বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় অন্য আরও ১৪টি দেশের কর্মীদের সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রতিযোগিতায় নামতে হবে।

আলোচকরা বলেন, অতীতে সবসময়েই একটা দালাল চক্র তাদের প্রতারণা করে টাকাপয়সা নিয়ে গেছে। এবার যদিও মালয়েশিয়া সরকার বলছে, কোন থার্ড পার্টি এখানে থাকবে না। সেটিই যাতে নিশ্চিত হয়, এজন্য হাইকমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। অন্য যারা অনিয়মিত হয়ে গেছেন, তাদের ব্যাপারে কী হবে, সেটাও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। বিশেষ করে প্রতিটি শ্রমিকের কাছে অভিবাসন সংক্রান্ত সকল তথ্য পৌঁছে দেয়া, যাতে তারা প্রতারণার শিকার না হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews