1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীকে পুলিশের লাথি, নেট দুনিয়ায় ভাইরাল জাতীয় দিবসে বর্ণিল সাজে আমিরাত, নিষিদ্ধ গণজমায়েত কুয়েত প্রবাসীদের ‘সার্ভিস বেনিফিট’ পেতে দূতাবাসের নির্দেশনা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধীদের কঠোরভাবে দমনের দাবি স্পেন আওয়ামী লীগের কাতার প্রবাসীদের ফেরাতে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ছুটিতে এসে আটকেপড়া প্রবাসীদের সুখবর দিল জর্ডান মালয়েশিয়া প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট প্রদানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি মালয়েশিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের খাদ্য সহায়তা প্রদান মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কাতারে প্রবাসীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান দূতাবাসের

বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বাংলাদেশের সাঈদুর

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় স্থান করে নিলেন বাংলাদেশের অধ্যাপক সাঈদুর রহমান। ১৮ নভেম্বর ল্যানকাস্টার জরিপে ২০২০ সালের সেরা চারজন গবেষকের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন- রয়্যাল সোসাইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিক গ্রাহাম, ক্রপ সায়েন্সেসের অধ্যাপক স্টিভ লং, মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোমেটেরিয়ালস এবং এনার্জি টেকনোলজির অধ্যাপক সাইদুর রহমান ও ল্যানকাস্টার ইউনিভার্সিটি অধ্যাপক জেস চুয়া। বাংলাদেশের সাঈদুর রয়েছেন সেরা চারে।

গত বছরের ডিসেম্বরে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণায় পুরস্কারও পেয়েছেন সাঈদুর। অধ্যাপক সাইদুর রহমান ল্যাঙ্কাস্টারের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শক্তি প্রযুক্তি বিভাগ এবং মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোম্যাটরিয়ালস এন্ড এনার্জি টেকনোলজির অধ্যাপক। তার কাজের মধ্যে ল্যানকাস্টারের এনার্জি রিসার্চ গ্রুপের নবায়নযোগ্য শক্তির জন্য ন্যানোম্যাটরিয়ালের গবেষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিশ্বের পাঁচ শতাধিক জার্নাল এ তার গবেষণা প্রকাশ করেছে। ল্যাঙ্কাস্টারে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি প্রায় ৫০০টি জার্নালে নিবন্ধ, কার্যপত্রিকা, বইয়ের অধ্যায় এবং একটি ল্যানকাস্টারের অধিভুক্তির সাথে পর্যালোচনা প্রকাশ করেছেন। তার গবেষণা পত্র বিশ্বের অন্যান্য গবেষকদের নিকট সব থেকে সমাদৃত। তাঁর গবেষণা কাজগুলি ৩৬ হাজারেরও বেশি উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। ওয়েব অব সাইন্স ন্যানোফ্লুয়েড গবেষণায় তিনি প্রথম স্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সাঈদুর রহমান ল্যাঙ্কাস্টার এবং সানওয়ের মধ্যে সহযোগী সংযোগগুলি প্রচার করেন এবং এমএক্সেনে ন্যানোফ্লুয়েড এবং ঘন সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার সরকার তার গবেষণাকে গ্রহণ ও প্রয়োগ করে। নিউটন তহবিল গবেষণা কাজে সহযোগিতা করে।
ল্যানকাস্টারের রাসায়নিক প্রকৌশল এবং শক্তি গবেষণা দলগুলির সাথে কাজ করেছেন। মেন্ডেলি ডাটাবেস দ্বারা প্রকাশিত বৈশ্বিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি যান্ত্রিক প্রকৌশল ক্ষেত্রে ৪৯ এবং শক্তি ক্ষেত্রে ৫০তম স্থান অর্জন করেছেন।

ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস পলিসি, ফ্যাকাল্টি অফ বিজনেস এন্ড আকাউনটেনসি, ইউনিভার্সিটি অফ মালায়ার পি এইচ ডি গবেষক,মোঃ সোহেল রানা বলেন, অধ্যাপক সাইদুর রহমান স্যার (Clarivate) কর্তৃক প্রকাশিত উচ্চতর উদ্ধৃত (cited) বার্ষিক গবেষক তালিকায় প্রথম এবং তার এমন স্বীকৃতিতে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রকাশিত তালিকায় অধ্যাপক সাইদুর রহমান স্যার গত দশকে একাধিকবার উচ্চ উদ্ধৃত গবেষকের স্বীকৃতি পেয়েছেন যা কাজের মেধা ও প্রজ্ঞা ও ভবিষ্যত পৃথিবীর প্রয়োজনে দিক নির্দেশনার প্রকাশ করে। এটি আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দ, অনুপ্রেরণা ও গর্বের বিষয় যে তিনি গবেষণা ক্ষেত্রে অনন্য নক্ষত্রের ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি বলেন, তাঁর এই অনন্য অর্জনে গবেষণা ক্ষেত্রে নতুন গবেষক তথা সকল বাংলাদেশী গবেষকদের মধ্যে নতুন নতুন গবেষণা লব্ধ জ্ঞান সৃষ্টিতে প্রেরণা যোগাবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ, গবেষকদের উদ্দেশ্য অধ্যাপক সাঈদুর রহমান বলেছেন, আমার গবেষণার অভিজ্ঞতাটি ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি, আমি আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশকে বিশ্বে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হব। তিনি তার মেধা বাংলাদেশে কাজে লাগাতে প্রস্তুত আছেন বলেও জানিয়েছেন।

একটা সময় ছিল দরিদ্র পীড়িত বাংলাদেশকে বিশ্ব চিনত, এর পর কায়িক পরিশ্রম করা কর্মীদের দেখছে বিশ্ব। কিন্তু এর সাথে সাথে যে মেধার ও কৃতিত্বের বিস্ফোরণ দেখাচ্ছে বাংলার মেধাবী সন্তানরা সে সব প্রকাশ পাচ্ছে এখন। এ যেন সেই একাত্তর সালের স্বাধীনতা অর্জনের মতই। যার যা আছে তাই নিয়ে লড়াই করে বিশ্বের বুকে কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

তিনি বলেন , এনার্জি এখন বিশ্বের অন্যতম অনুষঙ্গ , চলা বা উন্নয়নের কিংবা ভোগের অন্যতম চালিকা শক্তি। অল্প বিনিয়োগে অধিক এনার্জি উৎপাদন, টেকসই উন্নয়ন এ গবেষণা এবং এর প্রয়োগের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে গবেষণা সহযোগিতা হতে পারে। বাংলাদেশী গবেষকদের জন্য অনলাইন গবেষণা সেমিনার সময়ে সময়ে আয়োজন করা যেতে পারে।

ময়মনসিংহ জেলার কৃতি সন্তান, অধ্যাপক সাইদুর রহমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থী। প্রয়োজনে ইমেইলে-saidur@sunway.edu.my  তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন কেউ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews