1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীকে পুলিশের লাথি, নেট দুনিয়ায় ভাইরাল জাতীয় দিবসে বর্ণিল সাজে আমিরাত, নিষিদ্ধ গণজমায়েত কুয়েত প্রবাসীদের ‘সার্ভিস বেনিফিট’ পেতে দূতাবাসের নির্দেশনা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিরোধীদের কঠোরভাবে দমনের দাবি স্পেন আওয়ামী লীগের কাতার প্রবাসীদের ফেরাতে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ছুটিতে এসে আটকেপড়া প্রবাসীদের সুখবর দিল জর্ডান মালয়েশিয়া প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট প্রদানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি মালয়েশিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের খাদ্য সহায়তা প্রদান মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কাতারে প্রবাসীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান দূতাবাসের

কুয়েতে নতুন আইন: বাংলাদেশিদের লাভ-ক্ষতি কতটুকু ?

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

অভিবাসী বা জনসংখ্যা বিষয়ক কুয়েত সরকারের নতুন আইনের কতটুকু প্রভাব পড়বে বাংলাদেশিদের ওপর? আইনটি পাশ হওয়ার পর থেকেই এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দেশটিতে অবস্থান করা সাড়ে তিন লাখের মতো বাংলাদেশির মনে। অনেকেই ধারণা করছেন এই আইনটির ফলে অর্ধেকের বেশি প্রবাসীকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিতে পারে কুয়েত সরকার। তবে ভিন্ন কথা বলছে দেশটিতে বাংলাদেশের দূতাবাস। দূতাবাসের বক্তব্য হচ্ছে, কুয়েত সরকারের নতুন এই আইন বিদেশিদের সংখ্যা কমানোর জন্য হলেও তাতে করে এখনই কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বাংলাদেশিদের ওপর।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ) কুয়েতের জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে একটি আইন পাশ হয়। তেলসমৃদ্ধ এই দেশটিতে মোট জনসংখ্যা ৪৮ লাখের মতো। এর মধ্যে ৩৪ লাখ হচ্ছে বিদেশী নাগরিক। শতাংশের হিসাবে যা প্রায় ৭০ ভাগ। নতুন আইন অনুযায়ী কুয়েত সরকার এই বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে চাচ্ছে খবর দিয়েছে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম।

কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান প্রবাস বার্তাকে বলেন, কুয়েত সরকারের আগে একটা প্রস্তাবনা ছিল যেটি বিভিন্ন দেশের জন্য কোটা পদ্ধতি চালু করার। অর্থাৎ কোন দেশের কতজন নাগরিক দেশটিতে থাকতে পারবে বা কাজ করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেবে কুয়েত সরকার। কিন্তু নতুন যে বিলটি পাস হয়েছে সেখানে এই কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সাথে কুয়েতের জাতীয় সংসদ একটি কমিটি করে দিয়েছে, যে কমিটি এক বছরের মধ্যে বিদেশি কর্মীদের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেবে। অর্থাৎ কুয়েতের শ্রমবাজার অনুযায়ী কত কর্মী দরকার হবে তা এই কমিটি ঠিক করবে। বিষয়টি নির্ধারণ হওয়ার পর আগামী পাঁচ বছর ধরে সেটি বাস্তবায়ন করবে।

 

রাষ্ট্রদূত বলেন, এই আইনের অর্থ এই নয় যে কালকে থেকেই বিদেশি কর্মীদের ফেরত পাঠিয়ে দিবে তারা। কুয়েত সরকার তাদের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য খাতসহ বিভিন্ন খাতের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। কোন খাতে কত কর্মী লাগবে, কত বছরের জন্য সেই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে, এসব বিষয়ে পর্যালোচনা করেই বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তারা। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা। তাই এখনই বাংলাদেশিদের এ বিষয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই বলেও মনে করেন রাষ্ট্রদূত।

মেজর জেনারেল আশিকুজ্জামান বলেন, যেহেতু কোটা পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে, তাই কোন দেশের কত সংখ্যক কর্মী থাকবে বা রাখা হবে সেখানেও কোন বিধি-নিষেধ থাকছে না। এতে করে দেখা যাবে বাংলাদেশি কর্মীরা কোন নেতিবাচক প্রভাবে নাও করতে পারে।

 

 

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews