1. monir212@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

মালয়েশিয়ায় অসুস্থ রেমিটেন্স যোদ্ধা বকুলের পরিবারের আকুতি

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসাধীন কিডনি রোগে আক্রান্ত পাবনার বকুল হোসেন (৩৫)। পাবনা জেলার আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের মৃত মোজাম্মেল মোল্লার ছেলে বকুল হোসেন ২০০৭ সালের কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যান। প্রাথমিক আবস্থায় কোম্পানী ভালো হলেও স্বল্প বেতনের কারনে বাড়ি থেকে জমি বিক্র ও চড়া সুদে ঋণ করে আসায় টাকা পরিশোধ ও পারিবারিক চাহিদা মেটাতে ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও ফেরা হয়নি তার।

পরবর্তিতে মালয়েশিয়া সরকার রি-হিয়ারিং  চালু করলে অনেক অবৈধ প্রবাসীদের মত বকুলও বৈধ হবার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য বকুলের, কপালে আর মেলেনি মালয়েশিয়ায় থাকার বৈধ পারমিট। আর এই অবৈধ থাকার দুঃশ্চিন্তা এবং অনিয়মতান্ত্রিক চলাফেরার কারনে আস্থে আস্থে অসুস্থ হয়ে পড়েন বকুল।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বকুল হোসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিলেও কোনো কাজ হয়নি। পরে কুয়ালালামপুর হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। কর্তব্যরত ডাক্তর পরীক্ষা করার পর জানান, তার দুইটা কিডনিই আস্থে আস্থে ডেমেজ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে কিছুদিন চিকিৎসা নেবার পর একটু সুস্থ হলেও আবার চলে আসেন বাসায়। একবার হাসপাতালে ভর্তি হলেই খরচ গুণতে হয় ৫ থেকে ৬ হাজার মালয়েশিয়ান রিংগিত যা বাংলাদেশী টাকায় ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা ।

বকুলের পরিবারের আকুতি

মালয়েশিয়ায় থাকা বকুলের আত্বীয় আসলাম ও লোকমান হসেন জানান, বকুল হোসেনকে প্রায় ৭/৮ বার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়ছে। এতে প্রায় খরচ হয়েছে ৫০/৬০ হাজার রিংগিত যা ১০/১২ লাখ টাকা। আর এ টাকার যোগান দিতে দেশ থেকে জমিজমা বিক্রি এবং ধার দেনা করে আনতে  হয়েছে। গত এক সাপ্তাহ হলো কোন জ্ঞান নেই অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের বেডে পড়ে আছেন। জানিনা আবার হাসপাতালের বিল কত আসবে?

লোকমান ও আসলাম জানান, আমরা বকুল হোসেনকে দেশে পাঠানোর জন্যে মালয়েশিস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসে অনেকবার যোগাযোগ করেছি কিন্তু  ফ্লাইট না থাকায় তাকে দেশে পাঠানো সম্ভব হচ্ছেনা। মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দুতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরুধ করবো যেনো তাকে উন্নত চিকিৎসা এবং স্পেশাল ফ্লাইটের মাধ্যমে খুব দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে দেশে থাকা বকুলের মা পাগল প্রায়। ছেলেকে  ফেরত চাইছেন তিনি। বকুলের স্ত্রী বলেন, আমার কোন ছেলে সন্তান নেই শুধু তিনটি মেয়ে এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জন ব্যক্তি আমার স্বামী । সে আজ ৫/৬ মাস ধরে অসুস্থ। জমি জমা ও ঋন করে তার চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়ায় টাকা পাঠাচ্ছি । এখন মেয়েদের মুখে তিন বেলা ভাত তুলে দিতেই আমি হিমসিম খাচ্ছি ।
বকুলের মেয়েরা ও বাবার উন্নত চিকিতসার জন্যে বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ করেন এবং তাকে স্পেশাল ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে প্রেরনের অনুরোধ করেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews