1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক আজিজ আহমেদ সেলিমের মৃত্যুতে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর শোক আবুধাবিতে এইচ এম ফয়েজউল্লার স্মরণে শোক সভা অনুষ্ঠিত আবুধাবির মুসাফফা সানাইয়া ১৭ নম্বরে মা রাণী স্টোর কসমেটিকস এল এল সির শুভযাত্রা প্রবাসীদের সেবা দিতে সৌদির প্রত্যন্ত এলাকায় কনস্যুলেট টিম জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাথে রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের সাক্ষাৎ মালয়েশিয়া শ্রমবাজার: মন্ত্রী পর্যায়ের ফলপ্রসূ বৈঠক ভিসার মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে ক্ষণে ক্ষণে নিয়ম বদলাচ্ছে সৌদি দূতাবাস মালয়েশিয়া আবারও লকডাউনের কবলে ভিসার মেয়াদ বাড়াচ্ছে সৌদি দূতাবাস: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী মালয়েশিয়া লকডাউন এলাকায় ইমিগ্রেশন বিভাগ বন্ধ ঘোষণা

মালয়েশিয়ার সবজি বাজারে বিদেশি নয়, চাকরি হবে স্থানীয়দের

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

মালয়েশিয়ার শবজি বাজারে বিদেশি কর্মী নয়, চাকরি দেয়া হবে স্থানীয়দের। এমন উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্থানীয় অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাজারে বহু বিদেশি কর্মীর উপস্থিতি সম্পর্কেও তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ সরকারের এ সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে বলছেন, বিদেশি শ্রমিকদের বাদ দিয়ে স্থানীয় শ্রমিক নিয়োগ করা হলে পুরো বাজার ব্যবস্থায় এক বিপর্যয় পরিবেশের সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে ,দেশটিতে বৈধভাবে ২.২ মিলিয়ন এর সাথে  আরও আনুমানিক ৩ মিলিয়ন অবৈধ কর্মী কাজ করছে। মহামারি করোনা ভাইরাস রোধে গত দু’মাসে অনেকে চাকরি হারিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঁচাবাজারে কাজ করতে হলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সাথে অভ্যস্ত হতে হবে। যেমন দুর্গন্ধ, নোংরা পরিবেশে দীর্ঘ সময় কাজ করে যাওয়া। স্বল্প বেতনে মাসিক বা সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াই টানা কাজ করা। যা স্থানীয় মালয়েশিয়ান নাগরিকরা বেশিদিন এ কাজ করতে পারবেনা। কারণ তারা নোংরা পরিবেশে কাজ করতে অভ্যস্ত নন।  ব্যবসায়ীরা বলেছিলেন, স্থানীয় কিছু কর্মচারী ভাল ও অনুগত থাকলেও কাজের প্রকৃতি এবং উচ্চ প্রত্যাশার কারণে তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশ এক মাস স্থায়ী হয়নি।

সম্প্রতি কুয়ালালামপুরের বৃহত্তম কাঁচাবাজার সেলায়াং ও এর আশেপাশের ভবনগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় বাজারে বিদেশি শ্রমিকদের কাজ করতে দেয়া হবে না। তার পরিবর্তে অগ্রাধিকার ভিওিতে স্থানীয়দের দ্বারা কাজের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারের পর্যবেক্ষনে বলছে, বাজারে বেশিরভাগ বিদেশীদের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়ে থাকে। স্থানীয় মালিকগণ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে এসে ভাড়া সংগ্রহ এবং অন্যান্য তদারকি করতেন। এ ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক স্থানিয়রা বলছেন, বাজার পরিচালনায় স্থানীয়রা উপযুক্ত। তবে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার জন্য কিছু সংখ্যক স্থানীয় মায়েশিয়ান নাগরিকই দায়ী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রবাসী  জানান, “এই সবজি বাজারে যদি মালয়েশিয়ানদের  কাজ দেয়া হয় তাহলে তারা খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না বা তারা এই কাজে  বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে না।  ওই প্রবাসী তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন, মালয়েশিয়ানদের জীবন প্রবাসীদের মত  সংগ্রামের নয়। তারা এই ধরনের পরিস্থিতিতে কাজে অভ্যস্ত নয়।
প্রবাসীরা বছরে মাত্র ১০ দিনের মত ছুটি পায়। আবার কোন কোন মাসে একদিনও ছুটি পায় না। আর যদি একদিন ছুটি পায় তবে ঐদিন মালিক বলবে দোকান পরিষ্কার করে দিতে। কিন্তু এক্ষেত্রে দেখা যায় দোকান পরিষ্কার করতে  ঐ একদিন ছুটির অর্ধেক দিন কেটে যায়। কিন্তু এই পরিমাণ শ্রম যদি স্থানীয়রা দিতে আসে তাহলে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করবে। যা দোকান মালিকদের পক্ষে বহন করা সম্ভব হয়ে উঠেনা।”

কুয়ালালামপুর ভেজিটেবল হোলসিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওং কেনং ফ্যাট বলেছেন, সবজিগুলি আনলোড এবং আনতে চার স্থানীয় লোকের ভাড়া নেওয়া দরকার। যেখানে মালয়েশিয়ানসহ প্রায় ১০,০০০ বিদেশী কর্মী, যারা বেশিরভাগ পাইকারি বাজারে কাজ করেছিলেন ।

তিনি বলেন, “বাজার যেহেতু কখনও কখনও জীবাণুমুক্ত করার জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়, তাই আমরা মাসে প্রায় ১২ দিন কাজ করি। “কিছু (স্থানিয়)  শ্রমিক প্রতিদিন একশ রিঙ্গিত, যা মাসে ১২শ রিঙ্গিত পর্যন্ত আসে।” এ বেতনে স্থানিয়রা কাজ করতে অনিচ্ছুক। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠতে প্রায় ছয় মাস সময় লাগবে, যখন প্রতিদিন বাজার আবার খোলা হবে। তবে এখন ফলমূল, শাকসবজি এবং সীফুড বিক্রির জন্য প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যবসায়ী এখন ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।

কুয়ালালামপুর ফলমূল পাইকার সমিতির সভাপতি এনএম চিন বলেছেন, এমসিও বর্ধিত হওয়ার কারণে স্থানিয়রা সেখানে কাজ করতে ভয় পাচ্ছিল। তিনি বলেন,”বাজারে ব্যবসা খুব ধীর এবং বেশিরভাগ সময় আমাদের গ্রাহকদের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ।
কুয়ালালামপুর হোই সিওং ফিশ পাইকার সমিতি, বাজারে বিদেশী কর্মীদের বৈধতায় একটি উপযুক্ত চ্যানেল তৈরি করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছে।

সমিতির চেয়ারম্যান সিং কিয়ান হক বলেছেন, তাঁর মতো ব্যবসায়ীরা বিদেশি শ্রমিকদের কাজের পারমিট পাওয়া মুশকিল। “তবে, বিদেশি কর্মীদের উপর নির্ভরতা অনিবার্য কারণ তারা কাজ করতে আরও আগ্রহী।”আমরা দু’বছর আগে বিভিন্ন বিভাগে এই সমস্যাগুলি তুলে ধরেছি । মিঃ সিং বলেছেন, বিদেশি শ্রমিকদের পরিচালনা করার একমাত্র উপায় ছিল বৈধ করার জন্য একটি সিস্টেম তৈরি করা এবং বাজারে তাদের সংখ্যার সীমা নির্ধারণ করা। তবে বাজারে দেশী এবং বিদেশী কর্মীদের একটি সহাবস্থান থাকা উচিত বলে মনে করছেন মি:সিং।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews