1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় হচ্ছে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টার অঞ্চল মালদ্বীপে ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু বাংলাদেশিদের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ওমান থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ জেদ্দা কনস্যুলেটে প্রবাসীদের পাসপোর্ট রি-ইস্যুর আবেদন সরাসরি জমা দেয়া যাবে বিদেশগামী কর্মীদের যেসব পরামর্শ দিলেন বিমানবন্দরের পরিচালক বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ইউএস-বাংলার পাঁচ ফ্লাইট চালু বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু বাংলাদেশ ভ্রমণে আমিরাত প্রবাসীদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস দুবাই অবস্থান করা কুয়েতগামী প্রবাসীদের তালিকা করছে দূতাবাস

করোনার প্রভাব অর্থনীতি ও প্রবাসে, এনআরবির টেলিকনফারেন্স

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
Print Friendly, PDF & Email

 

বিশেষ প্রতিনিধি: করোনাজনিত কারনে পুর্বনিধারিত আলোচনা সভা পরিবর্তন করে সেন্টার ফর এনআরবি নির্ধারিত বিষয়ে টেলি-কনফারেন্স এর আয়োজন করে। সেন্টারের লিয়াঁজো কার্যালয় ঢাকা থেকে এই টেলি-কনফারেন্স  পরিচালিত হয়। দুইদিন ব্যাপী (২১ ও ২২ মার্চ) আয়োজিত এই টেলি-কনফারেন্স পরিচালনা করেন চেয়ারপার্সন এম এস সেকিল চৌধুরী, উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রমে সহায়তা করেন সেন্টারের সদস্য বিশিষ্ট ব্যাংকার ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার এম এ রাজ্জাক ও এবিএম মোস্তাক হোসেন, গবেষণাকর্মী মুশরেকা আফরোজ খান অরিন ও আয়েশা সিদ্দিকা ও স্বেচ্ছাসেবী ওয়াসমির চৌধুরী।

দুইদিন ব্যাপী টেলি-কনফারেন্স শুরুর মুর্হুত বাংলাদেশ সময় ২১মার্চ বেলা ১১টায় বিশ্বব্যাপী করোনার হালনাগাদ তথ্য পরিসংখ্যান ছিল মোট আক্রান্ত ২,৭৬,২৯৩, মৃত্যু ১১,৪২১, আরোগ্য লাভ ৯১, ৯৫২ এবং কনফারেন্স সমাপনী সময় ২২ মার্চ দুপুর ২টায় পরিসংখ্যান হলো, মোট আক্রান্ত ৩,০৮,৫৯২, মৃত্যু ১৩,০৬৯, আরোগ্য লাভ ৯৫,৮২৯ । এই পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় এক দিনে এই অজানা শত্রুর আক্রমণ ক্ষমতা কত তীব্র।
টেলি-কনফারেন্সে বিভিন্ন দেশের প্রবাসী, অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ছাড়াও যোগদান করেন সংসদ সদস্য, সরকারী কর্মকর্তা, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক সরকারী কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও বিভিন্ন পেশার বিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ।

এনআরবি’র টেলিকনফারেন্সে বক্তারা

বর্তমান  করোনাজনিত সঙ্গনিরোধ প্রক্রিয়া প্রতিপালন করে দেশে বিদেশে স্ব স্ব অবস্থান থেকে স্বত:স্ফুর্তভাবে টেলিফোনের মাধ্যমে আলোচনায় অংশগ্রহন করে মতামত রাখেন  বহু প্রবাসী ও দেশী ব্যক্তিবর্গ । তাদের মধ্যে বিভিন্ন পেশা ও খাতওয়ারী বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সংসদ সদস্য ও রপ্তানীকারক সমিতির প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম মুর্শেদী, পুলিশের সাবেক আইজি একেএম শহিদুল হক, প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: শহিদুল আলম এনডিসি, আইইডিসিআর এর উপদেষ্ঠা বিশিষ্ট চিকিৎসা গবেষক ডা: মোস্তাক হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: ফরাশ উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: সালেহ্্ উদ্দীন আহমদ, এনবিআর এর সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভ’ইয়াঁ, সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এড্্ভােকেট এ এম আমিন উদ্দিন, ঢাকা বার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এড্্ভােকেট মো: ইকবাল হোসেন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম, এফবিসিসিআই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, এফবিসিসিআই এর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির নেতা মো: হেলাল উদ্দিন, অর্থনীতিবিদ খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ,অর্থনীতিবিদ ড: কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ, সিপিডির  ফেলো ড: মোস্তাফিজুর রহমান, অর্থনীতিবিদ ড: আহমদ আল কবির,অর্থনীতিবিদ ড: নাজনীন আহমদ, দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী,সাপ্তাহিক ২০০০ সম্পাদক গোলাম মোর্তাজা,বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান, টিভি এন্্কর ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জিল্লুর রহমান, বিল্ড্্ এর চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান, বায়রার মহাসচিব শামীম আহমদ চৌধুরী নোমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সদস্য খুজিস্্তা নুর-ই-নাহ্্রনি মুন্নী, ব্যাংকার আব্দুল হালিম চৌধুরী, ব্যাংকার ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: একেএম শিরিন, মার্চেন্ট ব্যাংকার মো: আহসান উল্লাহ, ঢাকা বারের সাবেক প্রেসিডেন্ট এড্্ভােকেট মো: গোলাম মো¯তফা, ঢাকা চেম্বারের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কৃষি উপকরণ ব্যবসায়ী সুয়েব চৌধুরী, আমেরিকা প্রবাসী পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ সুমন, বৃটেন প্রবাসী বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এর নেতা শাহ্গির বক্ত ফারুক, বৃটেন প্রবাসী সাংবাদিক মাহবুব রহমান, বৃটেন প্রবাসী কো-অপারেটিভ কর্মী শাহিন রশীদ, মালয়েশিয়া প্রবাসী সাংবাদিক আহমেদুল কবির, ইটালী প্রবাসী সাংবাদিক মো: মনিরুজ্জামান, সৌদী প্রবাসী কাপ্তান হোসেন ও দুবাই প্রবাসী মামুন সরকার ।

এনআরবি’র টেলিকনফারেন্সে বক্তারা

আলোচনায় অংশ নিয়ে আইইডিসিআর এর উপদেষ্ঠা বিশিষ্ট চিকিৎসা গবেষক ডা: মোস্তাক হোসেন বলেন, ১৪ দিনের ’সেলফ্্ কোয়ারেনটাইন’ সার্বিকভাবে পালন করতে হবে। এতে শূধু প্রবাসী নয় তাদের আত্মীয় স্বজন ও দেশবাসী এই বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা সরঞ্জামের পূর্বে স্বল্পতা থাকলেও এখন তা নেই সুতরাং চিকিৎসা কর্মীদের ও আক্রান্ত রোগীদের অসুবিধা হবে না।

অর্থনীতিবিদ খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন: বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন যেন প্রবাসীরা নির্বিঘ্নে তাদের র্কমস্থলে যোগদান করতে পারে যে সকল প্রবাসীরা বেকার অবস্থায় আছে তাদের জন্য সরকার কিছু ভাতার ব্যবস্থা করলে তারা তাদের জীবনযাপন স্বাভাবিকভাবে করতে সক্ষম হবে। এই বিষয়ে বাংলাদেশ এম্বেসী, বাংলাদশে মশিন এবং হাইকশিনের সহযোগিতা আমাদের কাম্য।

প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: শহিদুল আলম এনডিসি বলেন, যথাযথ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে করোনা আমাদের শ্রম বাজারের জন্য নতুন সুযোগ হিসেবে আসতে পারে।

এফবিসিসিআই এর সাবেক প্রেসিডেন্ট কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ বলেন, খুবই বিপদজনক পরিস্থিতি। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির ইতিবাচক শক্তি। সাম্প্রতিক সময়ে শুধু রেমিটেন্সই ইতিবাচক ধারায় ছিল। আজ রোগ বিস্তার করে তারা যেন বদনামী না হন। এ ব্যাপারে দেশবাসী ও প্রবাসীদের রোগ প্রতিরোধের নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।

পুলিশের সাবেক আইজি একেএম শহিদুল হক বলেন, ব্যাংক ও কর্পোরেট হাউজগুলোর উচিত বিলম্ব না করে এখনই নিজেদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করা।

অর্থনীতিবিদ ড: নাজনীন আহমদ বলেন, আর্থিক সংকট মোকাবেলায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার পরিকল্পনা নেওয়া দরকার। তিনি বলেন, যারা ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ না নিয়ে ছোট ছোট বিনিয়োগ করেছেন তাদের  বিষয়টি মাথায় রেখে পরিকল্পনা করতে হবে যাতে তারা সহায়তার বাইরে পড়ে না থাকেন।

বৃটেন প্রবাসী বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এর নেতা শাহ্গির বক্ত ফারুক বলেন, প্রবাসীদের দেশে ও প্রবাসে ভ্রমণ পরিকপনা বাদ দিতে হবে সকলের স্বার্থে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর সদস্য খুজিস্্তা নুর-ই-নাহ্্রনি মুন্নী বলেন, ব্যবসা ও প্রবাসী আয় দু জায়গায় ক্ষতি হচ্ছে দির্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন।

দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, দুনিয়ার সর্বত্র ত্রাস সৃষ্টি করেছে করোনা, ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, রাজা উজির কেউ এর আক্রমণ থেকে রেহাই পাচেছন না। তিনি বলেন, আমরা এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারি নাই তাই প্রস্তুতি নিতে বিলম্ব করেছি, নিয়মিত ব্রিফিং সরকারের উচ্ছ পযার্য় থেকে হলে মানুষ এর গুরুত্ব দেবে। দেশে দেশে রাষ্ট্রপতি প্রধান মন্ত্রীরা নিয়মিত ব্রিফিং করছেন, বাংলাদেশে মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হলে উচ্ছপর্যায় থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে।  প্রবাসীদের আরো সচেতন করা প্রয়োজন, তারা আমাদের প্রাণ ও অর্থনৈতিক শক্তি। তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে রোগের পরীক্ষা পদ্ধতি জোরদার করে সকলে মিলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

ব্যাংকার ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: একেএম শিরিন বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো নানা সহায়তা প্রদান করছে ব্যবসায়ীদের। আপাতত আমরা নিজেরাই এই তহবিল সরবরাহ করতে পারবো তবে দীর্ঘ মেয়াদে তহবিল লাগবে।

সাপ্তাহিক ২০০০ সম্পাদক গোলাম মোর্তাজা বলেন, প্রায় পৌনে তিন মাস সময় নষ্ট হয়েছে না বুঝে, অভিজ্ঞতা নেয়া যেত অন্য দেশ থেকে তা করা হয়নি। আর বিলম্ব না করে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন। জন-সচেতনতা তৈরী করা জরুরী।

বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান বলেন, কঠিন পরিস্থিতি, অযতা কথা না বলে প্রধান মন্ত্রীর উপর আস্থা রাখতে হবে। সরকারের সার্বিক তদারকি জোরদার করা জরুরী।

বৃটেন প্রবাসী সাংবাদিক মাহবুব রহমান বলেন, প্রবাসীদের উচিত নিজেদের, পরিবারের ও দেশবাসীর স্বার্থ্যে নিরাপদ দুরত্বে থাকা। অন্যতায় রোগের বিস্তার সামাল দেয়া যাবে না। খোদ বৃটেন এ ব্যাপারে হিমসিম খাচ্ছে।
আমেরিকা প্রবাসী পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ সুমন বলেন, আমেরিকায় কর্মহীনতার জন্য সরকার ভাতা প্রদান করছে কিন্তু তাও যথেষ্ট নয়, সহসাই মানুষের মধ্যে অস্থিরতা আরো বেশী তৈরী হবে। তিনি বলেন, দেশে বিদেশে আমাদের প্রবাসীদের কঠোর ’সেলফ্্ কোয়ারেনটাইন’ এ থাকতে হবে, দেশে অথবা দেশ থেকে প্রবাসে সকল প্রকার ভ্রমণ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে । সকল প্রকার কায়িক যোগাযোগ কঠোরভাবে বন্ধ রাখতে হবে। সোসাল ও সকল প্রকার জমায়েত নিয়ন্ত্রণে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

টিভি এন্্কর ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জিল্লুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াতে হবে সক্রিয়ভাবে। কথায় ও কাজে তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা যাবে না।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কৃষি উপকরণ ব্যবসায়ী সুয়েব চৌধুরী বলেন, কৃষি পণ্যের সরবরাহ লাইন প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। প্রতিদিন যেখানে হাজারো মালবাহি গাড়ী ঢাকায় আসতো এখন তা হচ্ছেনা এতে প্রান্তিক চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা প্রয়োজন।

ব্যাংকার আব্দুল হালিম চৌধুরী বলেন: পোশাক শিল্প মালিক ও শ্রমিকরা করোনাজনিত কারনে শীঘ্রই প্রভাবিত হবে এবং এটা দুশ্চিন্তার বিষয় । ইউরোপ-আমেরিকার অনেক র্অডার ক্যান্সেল হয়ে যাচ্ছ,েকাঁচামালের রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এতে কল-কারখানাগুলো বন্ধের ঝুঁকেিত পড়েছে।

এনবিআর এর সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূ’ইয়া বলেন,  ধারণা করা হচ্ছে ২০০৭ ২০০৮ ও ২০০৯ এর মতো এবারও বাংলাদেশে একটি অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি হতে পারে এবং এটি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে এনবআিররে রেভিনিউ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে ব্যবসায়ীদের আয় কমবে, কমে যাবে ক্রয় ক্ষমতা ও দেশের বাইরে টাকা আদান প্রদানে যেন কোনো বাঁধা না আসে সেই ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকে নজর রাখতে হবে।

সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এড্্ভােকেট এ এম আমিন উদ্দিন বলেন: বভিন্নি দেেশ কল কারখানা বন্ধরে ঘোষণা এবং উৎপাদন স্থগতি এর ফলে বাংলাদেশে কাঁচামাল রপ্তানি ও বন্ধ । জুন ৩০ র্পযন্ত বাংলাদশে ব্যাংক ঋণ খেলাপি ঘোষণা করবে না প্রবাসীদরে মধ্যে সচতেনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং কোয়ারেন্টাইন এর পদ্ধতি তাদেরকে শিখাতে হবে ।

বায়রার মহাসচিব শামীম আহমদ চৌধুরী নোমান বলেন, প্রবাসী ও জনশক্তি রপ্তানীকারক সকলেই বিপদে আছি। আর্থিক সহায়তা জরুরীভাবে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন অন্যতায় কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান করা কঠিন হবে।

ইটালী প্রবাসী সাংবাদিক মো: মনিরুজ্জামান বলেন, বশ্বিরে মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর হার ইতালিতে সব কাজর্কম স্থবির আছে অর্থনৈতিক অবস্থা করুণ । নিত্যদিনের খরচরে টাকার ব্যবস্থা করা ও প্রবাসীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে, অত্যন্ত জরুরী কাজ যেমন খাবার এবং ঔষধ কেনার অনুমতি আছে সরকার থেকে, নিয়ম লঙ্ঘন করলে জেল অথবা জরিমানা হতে পারে।

ঢাকা বার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এড্্ভােকেট মো: ইকবাল হোসেন বলেন, সরকারের উচিত স্থলবন্দর ও বিমানবন্দরগুলোতে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা, করোনা ভাইরাস সনাক্ত করার জন্য জরুরী যন্ত্রপাতি এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ সরকারকে দ্রুততম সময়ে প্রদান করতে হবে, কোয়ারেন্টাইন এর বিষয়টা সবাইকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে এবং যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করতে হবে ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: ফরাশ উদ্দীন আহমদ বলেন, স্বল্প কর্মি দিয়ে উৎপাদন খাত চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে, সরকাররে উচিত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য কিছু দিনের জন্য হলওে রেশন ব্যবস্থা করা কারণ এদের হয়ে কথা বলার কেউ নেই ।

সংসদ সদস্য ও রপ্তানীকারক সমিতির প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, করোনার কারণে রেমিটেন্সে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, এর কারণ হচ্ছে অনেক প্রবাসী চাকরি হারাচ্ছেন এবং কেউ কেউ দেশে ফেরত চলে আসছে এবং এখন অনেক অনশ্চিয়তা আছে যে এই প্রবাসীরা কবে আবার তাদের র্কমস্থলে ফেরত যেতে পারবে, রপ্তানি খাতে সিংহভাগ ও হুমকির মুখে, বস্ত্র খাতের বড় দুই ক্রেতা ইউরোপ এবং আমেরিকা এখন সাময়িকভাবে বন্ধ আছে। তিনি আরো বলছেন বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো প্রবাসীরা এখন যেখানে আছে সেখানেই থাকা উচতি।

অর্থনীতিবিদ ড: আহমদ আল কবির বলেন, শুধূ আইইডিসিআর নয় দেশে আরো অনেক সক্ষম প্রতিষ্ঠান রয়েছে এদের কাজে লাগাতে হবে।

বৃটেন প্রবাসী কো-অপারেটিভ কর্মী শাহিন রশীদ বলেন, যারা বাংলাদেশের র্অথনীতিতে গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা রাখতনে তারা  বেকার হয়ে আছে, আবার কছিু প্রবাসীরা দেেশ এসে আত্মীয়-স্বজনদরে সাথে দখো-সাক্ষাৎ করছে এতে করোনার ঝুঁকি বাড়ছে, দশে ও জাতির র্স্বাথে এই বিষয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে ।

মালয়েশিয়া প্রবাসী সাংবাদিক আহমেদুল কবির বলেন, মালয়েশিয়ায় মৃত্যুবরণ করছেনে নয়জন নতুন রোগী ১৫৩ জন এবং আক্রান্ত ১১৮৩ জন, প্রবাসীরা র্কমস্থলে যেতে পারছে না এতে রেমিটেন্স প্ররেণে ও বাধা পড়েছে, রবিবার থেেক সেনাবাহিনী রাস্তায় নামবে যেেকানো ধরনরে অনিয়মে জলে এবং ১০ হাজার রিঙ্গিত র্পযন্ত জরমিানা হতে পারে ।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ৩২৭ মিলিয়ন ডলাররে পোশাক শল্পিরে র্অডার বাতলি হয়ে গেছে, এ ব্যাপারে বজিএিমইএ এবং সরকাররে বঠৈক হয়েছে যখোনে সরকার প্রতশ্রিুতি দিয়েছে যথাযথ নীতিমালা প্রণয়ন করবে, পুঁজবিাজারওে এর প্রভাব পড়েছে, দরপতন হয়েছে ঢাকা এবং চিটাগং স্টক এক্সচেন্জ বাংলাদশে এম্বসেী, হাইকমশিন ও মশিনগুলোর উচতি সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গুলোর সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা যনে প্রবাসীরা নির্বিঘেœ তাদরে র্কমস্থলে ফরেত যেেত পারে ।

কনফারেন্সে যোগদানকারী সকল বক্তা বিলম্ব না করে রোগ প্রতিরোধ সরঞ্জাম সংগ্রহ ও কাজ এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মতামত রাখেন, আলোচক ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদ গণ সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতির হুসিয়ারী উচ্ছারণ করেন। তারা বলেন সকলের ঐকবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে এই বিপদ থেকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।  প্রবাসীদের প্রতি সহমর্মীতা নিয়ে পাশে থাকতে হবে এবং বিদেশে যেন তারা চাকরী না হারায় এ ব্যাপারে সরকারকে কুটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা বাড়াতে হবে এবং ঋণ ব্যাবস্থাপনার সুবিধাদি অব্যাহত রাখতে হবে নচেৎ বেকারত্ব ও মহামন্দা দেখা দিবে। আর্ন্তজাতিক সহযোগিতা পাওয়ার ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে। প্রবাসীরা যাতে বিদেশে আর্থিক সহায়তা পান সে ব্যাপারে মিশনগুলোকে তড়িৎ পদক্ষেপ নিতে হবে।

দীর্ঘ এই টেলি-কনফারেন্সে যোগদানকারী, সহায়তাকারী ও মতামত প্রদানকারী সকলকে সেন্টার ফর এনআরবি’র পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews