Print Friendly, PDF & Email

 

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া: বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালয়েশিয়ায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে। সেই সাথে শুরু হয়েছে ‘মুজিব বর্ষের’ ক্ষণগণনা।

শুক্রবার( ১০ জানুয়ারি) হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক দিবসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন ডিফেন্স এডভাইজার কমোডর মুশতাক আহমেদ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার ও হেড অব চেন্সারি ওয়াহিদা আহমেদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির জনক, জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধা, ১৫ই আগস্টের কাল রাতের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- দূতাবাসের লেবার কাউন্সেলর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বাণিজ্যিক কাউন্সেলর মো রাজিবুল আহসান, পাসপোর্ট ও ভিসা কাউন্সেলর মোঃ মশিউর রহমান তালুকদার, প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) রুহুল আমিন।

হাইকমিশনার মুহ. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে না আসলে বাংলাদেশের বিজয় অসম্পন্ন থেকে যেত। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয় সমগ্র বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের আশার প্রতীক ছিলেন ফলে তাঁর মুক্তিতে মানবতা, স্বাধীনতা, স্বাধীকার, গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের মুক্তি ঘটেছিল। তাঁরই আদর্শ ধারন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে অন্যতম উন্নয়নকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

এ উন্নয়ন এখন প্রতিদিন ঘটছে। এ উন্নয়নকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন হবে।’ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে মিশন বছরব্যাপী নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ তুলে ধরা হবে বিদেশীদের মাঝে। মহান নেতার আদর্শে বিশ্ব অনুপ্রাণিত হবে।

জাতির জনক বংবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। এ দিন বাঙ্গালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। সেই ঐতিহাসিক মুহুর্তের কিছু চলচ্চিত্রাংশ পর্দায় দেখানো হয়।

অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনার উদ্বোধন করেন হাইকমিশনার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু হবে ১৭ মার্চ ।

সবশেষে শ্রম কাউন্সেলর (২) মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন কাউন্সেলর মাসুদ হোসেন।

bdnewspaper24