1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় হচ্ছে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টার অঞ্চল মালদ্বীপে ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু বাংলাদেশিদের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ওমান থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ জেদ্দা কনস্যুলেটে প্রবাসীদের পাসপোর্ট রি-ইস্যুর আবেদন সরাসরি জমা দেয়া যাবে বিদেশগামী কর্মীদের যেসব পরামর্শ দিলেন বিমানবন্দরের পরিচালক বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ইউএস-বাংলার পাঁচ ফ্লাইট চালু বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু বাংলাদেশ ভ্রমণে আমিরাত প্রবাসীদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস দুবাই অবস্থান করা কুয়েতগামী প্রবাসীদের তালিকা করছে দূতাবাস

বিনা খরচে একটি নম্বরে মিলবে অভিবাসন সংক্রান্ত সব তথ্য

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

 

স্টাফ রিপোর্টার: প্রবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যসহ সবাইকে অভিবাসন সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের তথ্যসেবা দিতে বিনা খরচে হটলাইন চালু করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও ব্র্যাক।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘নিরাপদ প্রত্যাবর্তন এবং টেকসই পুনরেকত্রীকরণ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে হটলাইন-এর উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন।

এসময় আই্ওএম বাংলাদেশ-এর মনিটরিং, এভালুয়েশন, একউন্টেবিলিটি ও লার্নিং বিভাগের প্রধান ফিনিয়াস জেসি এবং ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল ইসলাম হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এই হটলাইন নম্বরটি হলো ০৮০০০১০২০৩০। যে কেউ বিনা খরচে এই নম্বরে ফোন করে অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য পাবেন। পাশাপাশি বিদেশ থেকেও অভিবাসন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য সেবা পাওয়া যাবে +৯৬১০১০২০৩০ এই নম্বরে ফোন করে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফোন করে সরাসরি তথ্যসেবা পাওয়া যাবে। এ সময়ের বাইরে ফোন করলে সে ফোনকলটির রেকর্ড থেকে পরবর্তীতে কলদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে প্রত্যাশা প্রকল্পের আওতায় এ হটলাইনটি চালু করা হয়। প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ব্র্যাক-এর সাথে অংশীদারিত্বে আইওএম বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, তথ্য হচ্ছে সূর্যের আলোর মতো। তথ্য জানলে মানুষের কাছে সবকিছু দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়। তখন জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়। কিন্তু যারা বিদেশে গেছেন বা যেতে চাচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই তথ্য জেনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। ৯৫ ভাগ মানুষই জানেন না, তারা কোন এজেন্সীর মাধ্যমে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করছেন ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, অতিরিক্ত সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে বিশেষ করে নারী কর্মীদের ওপর নির্যাতনের খবর আসে। বিষয়গুলো সমাধানে আমাদের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। এ ব্যাপারে সরকারের জিরো টলারেন্স রয়েছে। কিছু সমস্যা আছে। তবে একথাও মনে রাখতে হবে সরকারের একার পক্ষে সবকিছুর সমাধান করা সম্ভব নয়। সমস্যা যেখানে আছে আমরা সেটা স্বীকার করি। সমাধানও করতে চাই।

বিদেশফেরত কর্মীদের পুনরেকত্রীকরণের ওপর জোর দিয়ে ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, বিদেশফেরত কর্মীদের পুনরেকত্রীকরণও অভিবাসন প্রক্রিয়ার একটি অংশ। এ ব্যাপারে সরকারি, বেসরকারি সংস্থাসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রত্যাশা প্রকল্পটি বিদেশ ফেরতদের জন্য একটি সমন্বিত পদক্ষেপ। সরকারও এই ধরনের কাজের সাথে আছে। ভবিষ্যতে আরো ব্যাপক আকারে পুনরেকত্রীকরণ নিয়ে কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা।

অংশগ্রহণকারীদের মতামত শুনছেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ।

উল্লেখ্য বিদেশ-ফেরত কর্মীদের মানসিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পুনরেকত্রীকরণের জন্য প্রত্যাশা প্রকল্প কাজ করছে। তথ্য পাওয়া সহজ করতে এই প্রকল্পের আওতায় এ বছরের এপ্রিলে হটলাইনটি চালু করা হয়। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আই্ওএম বাংলাদেশ-এর মনিটরিং, এভালুয়েশন, একউন্টেবিলিটি ও লানিং বিভাগের প্রধান ফিনিয়াস জেসি বলেন, পুনরেকত্রীকরণ অভিবাসন প্রক্রিয়ারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দেশের ব্ইারে থাকেন। এদের মধ্যে বিদেশে গিয়ে যারা ভাল করতে পারেন না কিংবা সমস্যায় পরে ফিরে আসেন তারা মানসিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হন। এসব মানুষের জন্য টেকসই পুনরেকত্রীকরণ জরুরি। বিশেষ করে যারা অনিয়মিতভাবে বিদেশ গিয়ে ফেরত আসছেন তাদের গল্পগুলো অনেক করুণ। এইসব মানুষের জন্য আমাদের অনেক কিছু করার আছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল ইসলাম হাসান। তিনি বলেন, প্রতিদিন কতো মানুষ বিদেশ যাচ্ছে সে তথ্য সরকারের কাছে থাকলেও কতো মানুষ ফিরে আসছে তার কোনো তথ্য নেই। ফলে বিদেশ-ফেরত কর্মীদের চিহ্নিত করে তাদের সেবা দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে ফেরত আসা অভিবাসনেরই অংশ। কাজেই তাদের কথাও ভাবতে হবে। তবে নিরাপদ অভিবাসন এবং টেকসই পুনরেকত্রীকরণের কাজটি কারও একার নয়। এ জন্য সরকারি বেসকরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবার একযোগে কাজ করতে হবে।

অভিবাসন খাতের নানা সমস্যা সমাধানে অনুষ্ঠানে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews