Print Friendly, PDF & Email

 

প্রবাস বার্তা ডেস্ক : আন্তর্জাতিক অভিবাসন চলচ্চিত্র উৎসব (জিএমএফএফ) শুরু হবে আগামী ২ ডিসেম্বর। দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রদর্শিত হবে ১৫টি চলচ্চিত্র। যেখানে তুলে ধরা হবে অভিবাসন বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমস্যা ও সম্ভাবনার দিক।

জাতিসংঘ অভিবাসন সংস্থা- আইওএম বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এই উৎসবের আয়োজন করছে।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) বাংলাদেশ-  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানিয়েছে ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়,  আন্তর্জাতিক অভিবাসন চলচ্চিত্র উৎসবে অভিবাসীদের নিয়ে যে সকল চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে সেগুলো দ্বারা দর্শকদের মনে গভীর সহানুভূতি জাগিয়ে তোলা এবং একইসাথে অভিবাসীদের বাস্তবতা, প্রয়োজন, দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের জীবনযাপন সহজভাবে বোঝার জন্য চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে।

সেখানে আরো উল্লেখ করা হয়, জিএমএফএফের মূল উদ্দেশ্য হলো চলচিত্রকে শিক্ষার একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে সামাজিক সমস্যাগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা। যাতে অভিবাসীদের প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং আচরণকে প্রভাবিত করা যায়। একইসাথে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মানুষের মাঝে আলোচনা ও চিন্তার একটি জায়গা তৈরি করে দেয়ার জন্য এই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

দিনব্যাপী এই উৎসবে সরকারের প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গবেষক, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনয়-শিল্পীসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এই উৎসবে যোগ দেবেন।

সকাল ৯টায় উৎসবটি শুরু হয়ে শেষ হবে রাত ৯টায়। এর মধ্যে সকাল ১০টায় এবং বিকেল ৫ টায় ‘চলচিত্র ও অভিবাসন’ নিয়ে দু’টি আলোচনা পর্ব থাকছে। উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

প্রসঙ্গত, অনেক আগ থেকেই চলচ্চিত্র তথ্য, বিনোদন, শিক্ষা ও আলোচনার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শক্তিশালী এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে মানুষের কাছে অভিবাসন ক্ষেত্রের নানা দিক তুলে ধরার লক্ষ্যে ২০১৬ সাল থেকে জাতিসংঘ অভিবাসন সংস্থা-আইওএম বৈশ্বিক অভিবাসন বিষয়ক চলচ্চিত্র উৎসব-আয়োজন করছে

এ বছর বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে পেশাদার বা উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ৬০০ টিরও বেশি চলচ্চিত্র এ উৎসবে জমা পড়েছে। এর মধ্য থেকে একটি স্বনামধন্য বিচারক পর্ষদ ৩০টি চলচ্চিত্র নির্বাচন করেছেন, যা পৃথিবীর ১০০টি দেশে প্রদর্শিত হচ্ছে। ঢাকার উৎসবে দেখানো হচ্ছে ১৫টি চলচ্চিত্র।

 

bdnewspaper24