Print Friendly, PDF & Email

 

প্রবাস বার্তা, বিশেষ প্রতিবেদন: প্রবাসী নারী গৃহকর্মীদের ভোগান্তি রোধ করতে সুরক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন অভিবাসন বিশ্লেষকরা।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে কর্মসংস্থানের জন্য এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত শুধু সৌদি আরবেই গিয়েছেন ২ লাখ ৯৬ হাজার বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মী। এরইমধ্যে নারী কর্মীরা পোশাক খাতসহ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের জন্য যাচ্ছেন জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নারী কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও মাঝে মধ্যেই উঠছে বিভিন্ন অভিযোগ।এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে নারীকর্মীদের সুরক্ষা পদ্ধতি নিয়ে।

এবিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছে মন্ত্রণালয়। এবং নারী কর্মীদের সুরক্ষায় এখন থেকে সৌদি অংশের সকল তথ্য সংগ্রহ করবে মন্ত্রণালয়। আর এই লক্ষ্যে যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে চলতি মাসেই সৌদি আরব যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।

বিদেশে নারী কর্মী প্রেরণের পূর্বে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত হওয়া এবং সৌদি অংশের এজেন্সি ও নিয়োগদাতাদের জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম অভিবাসন বিশ্লেষক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

এসময় তিনি বলেন, বিদেশে নারী কর্মীদের নির্যাতন রধে এমন একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানতে পারবে কোন কর্মী কোথায় কাজ করছেন। তারা যদি কখনো চলমান কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করে অন্যত্রে যায় সেটাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানতে পারবেন। এর ফলে কোথাও কোন নারী কর্মী নির্যাতিত হলে এর মাধ্যমে সেই তথ্যটাও সহজেই জানতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অভিবাসন বিশ্লেষক সারওয়াত বিনতে ইসলাম বলেন, ”আমরা চাই না বিদেশে নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ হোক।আমরা বলছি, আরো সুরক্ষা দিয়ে বিদেশে নারী কর্মী পাঠানো উচিত। আর যদি বিদেশে নারী কর্মী পাঠানো বন্ধ করা হয় তাহলে বিদেশে নারী পাচারের আশঙ্কা বেড়ে যাবে।

এ সময় তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থান করা যেসব নারী কর্মীরা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হচ্ছেন তাদের উচিত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানানো এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের উচিত অবহেলা না করে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এসকল ঘটনার সমাধান করা।

 

bdnewspaper24