Print Friendly, PDF & Email

 

বিশেষ প্রতিনিধি, মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়াতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। তিনি বলেন, এখানে এমন কোন কথা কেউ বলবেন না যাতে করে শ্রমবাজারের ক্ষতি হয়।

শুক্রবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রবাস বার্তাকে তিনি বলেন, “আমরা এখন উভয় দেশ একটা সমঝোতার জায়গায় পৌঁছেছি। বাজার খোলার বিষয়ে একমত হয়েছি। এর মধ্যে কোন মহল থেকে এমন কোন কথা বলবেন না বা এমন কোন কাজ করবেন না যাতে করে সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমরা চাই বাজারটি চালু হোক। আমাদের কর্মীরা কাজ পাক, তাদের উপকারই আমাদের লক্ষ্য।”

ইমরান আহমদ বলেন, “শ্রমবাজার কিছু বিষয়ের এখনো সমাধান বাকি রয়েছে। এর জন্য চলতি মাসের নভেম্বরের ২৪ ও ২৫ তারিখ ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে একটা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকেই সব ঠিকঠাক হবে। আশা করছি চলতি বছরেই কর্মী যাওয়া শুরু হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কর্মীদের বাঁচানো। কর্মীরা যাতে কম খরচে মালয়েশিয়ায় কাজ করতে পারে এটা নিয়েই কাজ চলছে।”

বুধবার (৬ নভেম্বর) মালয়েশিয়ায় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়। এবার মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে একবারই কর্মীদের মেডিকেল টেস্ট করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। আগে মালয়েশিয়া গিয়ে আরেক দফা মেডিকেল টেস্ট করতে হতো কর্মীদের।

উল্লেখ্য, গেলো বছরের ১লা সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনলাইন পদ্ধতি এসপিপিএ।  এরপর সে সময়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি.এসসি ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়া গিয়ে বৈঠক করেও, শ্রমবাজারটি চালু করতে পারেননি। এরপর ৩১ অক্টোবর ঢাকায় দুদেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে নতুন করে কর্মী নেয়ার কিছু পদ্ধতি ঠিক হয়। চলতি বছরের ১৪ মে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রী ( তখন প্রতিমন্ত্রী) ইমরান আহমদ মালয়েশিয়া সফরে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তানশ্রি মুহিউদ্দিন ইয়াসিন ও মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানের সাথে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের অগ্রগতি হিসেবে ২৯ ও ৩০ মে মালয়েশিয়ায় দুদেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের আরেকটি বৈঠক হয়।

 

 

 

 

bdnewspaper24