1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

সৌদি আরব থেকে ২৪ ঘন্টায় ফিরেছেন ৩৭৩ কর্মী

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

 

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ   শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টা থেকে থেকে শনিবার রাত সোয়া ১১ টা। ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ৩৭৩ জন কর্মী। এরমধ্যে শুক্রবার রাতে ২০০ জন এবং গতকাল শনিবার রাতে ১৭৩ জন ফিরে আসেন।

গতকালও দেশে ফেরা কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় বিমানবন্দরে জরুরি খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ী পৌছানোর জন্য সহায়তা প্রদান করে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। ‌চলতি বছ‌র প্রায় ১৮ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরব থেকে ফেরত এলো।

গতকাল ফেরত আসাদের মধ্যে ছিলেন একই পরিবারের দুই ভাই নড়াইলের নয়ন ও শুক্কুর মোল্লা। এর মধ্যে নয়ন চার বছর আগে সৌদি গিয়েছিলেন রংমিস্ত্রির কাজ নিয়ে। মাত্র দুই মাস আগে ছোট ভাই শুক্কুর মোল্লাকে একুই কাজে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুজনকেই শুন্য হাতে গতকাল দেশে ফিরতে হয়েছে।

নয়নের অভিযোগ, ছোট ভাই বাজার করতে বের হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন। এই খবর শুনে ছুটে যায় তিনি। কিন্তু কোন কথা শুনেনি সে দেশের পুলিশ। তাদের দুই ভাইকেই ধরেই দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

ভোলার ফুয়াদ হোসেন দু বছর আগে ছয় লাখ টাকা খরচ করে ‌‌ফ্রি ভিসার নামে নিয়ে গিয়েছিলেন সৌদি। তিনি বলেন বৈধ আকামা থাকার পরেও তাকে গ্রেফতার করা হলো তিনি বুঝতে পারছেন না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে কথা বললে তাকে বলা দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, আপনারা এভাবে আসেন কেন? যেভাবে আসছেন সেভাবেই সমাধান করেন।

কিশোরগঞ্জের শোয়েব হোসেন দশ বছর ধরে সৌদি আরবে ব্যবসা করে আসছিলেন। তিনি বলেন তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে এক লাখ আশি হাজার রিয়ালের সমপরিমাণ পন্য সামগ্রি ছিলো, তার আকামার মেয়াদও ছিলো দুই মাস কিন্তু কোন কিছুই তাকে রক্ষা করতে পারেনি। সৌদিতে সব সম্পদ ফেলে শুন্য হাতে দেশে ফিরতে হলো তাকে।

এভাবে চলতি বছ‌র প্রায় ১৭ হাজার বাংলা‌দে‌শি‌কে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এবং চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে ১১০০ জনকে সহযোগিতা করলো ব্র্যাক।

স্বপ্ন ভঙ্গের এমন নানা সব ঘটনা প্রতিদিনই বিমানবন্দরে শুনতে হচ্ছে জানিয়ে ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, সাধারণত ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে যাওয়ার প্রবনতা চলছে অনেকদিন ধরে। এভাবে কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে অনেকেই ফেরত আসতো। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের আকামা থাকার পরেও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাওয়ার কয়েকমাসের মধ্যেই অনেককে ফিরতে হচ্ছে যারা খরচের টাকার কিছুই তুলতে পারেননি। এভাবে গিয়ে লোকজন যেন প্রতারিত না হয় সেটা সবাই মিলে নিশ্চিত করতে হবে। তার আগে দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়ের উচিত ফেরত আসার কারণগুলো সুনির্দষ্টভাবে চিহৃিত করে যথাযথ প্রতিকার করা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews