Print Friendly, PDF & Email

 

প্রবাস বার্তা,ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি মাসের ১৮ দিনেই ১০০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ নিয়ে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাড়ে ৯মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৫০ (১৪.৫০ বিলিয়ন) কোটি ডলার।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সফলতার ক্ষেত্রে রপ্তানি আয় আশানুরূপ সফলতা অর্জন না করলেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় দেশের অর্থনীতির চাকা এখনো সোজা পথেই রয়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ৪৫১ কোটি ০৮ লাখ (৪.৫১ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। প্রতি বছর দুই ঈদের পর রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যায়।

আগস্টে কোরবানির ঈদের পর ধারণা করা হয়েছিল সেপ্টেম্বরে প্রবাসীরা কম রেমিটেন্স পাঠাবেন। কিন্তু এবার তেমন হয়নি। সেপ্টেম্বরে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন তারা। যা মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ রেমিটেন্স। এর আগে গত মে মাসে রোজার ঈদকে সামনে রেখে ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছিল জুলাই মাসে; ১৫৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছিল ২০১৮ সালের মে মাসে ১৫০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর চলতি অক্টোবর মাসের ১৮ দিনে (১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর‌্য পর্যন্ত) ৯৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার (প্রায় ১ বিলিয়ন) রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সবমিলিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের নয় মাস ১৮ দিনে এক হাজার ৪৪৩ কোটি ৫১ লাখ (১৪.৪৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স এসেছে বাংলাদেশে। দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা, জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রবাহে সুখবর দিয়ে শেষ হয় ২০১৮-১৯ অর্থবছর। গত অর্থবছরে আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

bdnewspaper24