Print Friendly, PDF & Email

 

আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া: ইতোপূর্বে বাতিল করা পুরনো প্রক্রিয়া আবার কার্যকর হচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকে বিদেশী কর্মীদের পুনঃস্থাপন প্রক্রিয়া চালু করার নোটিশ জারি করেছে মালয়েশিয়া সরকার।

আজ ( ৩১ মে) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, কোম্পানি থেকে কোন কর্মী নিজ দেশে চলে গেলে তার স্থলে ঐ কোম্পানী কর্মী নিয়োগ করতে পারবে। এই প্রক্রিয়ায় যারা এর আগে মালয়েশিয়ায় যে মালিকের অধীনে কর্মরত ছিল এবং সেই পুরনো মালিকই এই কর্মীকে নিয়ে আসতে পারবে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি । এ পদ্ধতি সকল সেক্টরের জন্য কার্যকর করা হয়েছে।

মানবসম্পদ মন্ত্রীর প্রেসরিলিজ

মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে মালয়েশিয়া সরকার ২০১৭ সালে স্থগিত করা সিস্টেমটির পুন:স্থাপনের অনুমোদন দেয়।
সরকার বিশ্বাস করে যে এই পদ্ধতিতে মালয়েশিয়াতে বিদেশী কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানো হবে না বরং নিয়োগকারীদের জন্য তার কম্পানিতে কর্মীদের আগের (অনুমোদিত কোটা) সংখ্যাটি বজায় থাকবে।

বলা হয়েছে একটি কম্পানিতে সরকার অনুমোদিত ১০০ জন বিদেশি কর্মীর মধ্যে ২০ জন কর্মী তার নিজ দেশে ইতিমধ্যেই চলে যায়। তাহলে ঐ কম্পানি চাইলে ইতিমধ্যে চলে যাওয়া ২০ জন কর্মীর স্থানে নতুন ২০ জন কর্মীর জন্য আবেদন করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে নতুন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোটার আবেদন করতে হবে না।

কিন্তু এই পদ্ধতিতে নিয়োগকর্তারা কোন দেশের শ্রমিকের বিপরীতে কোন দেশ থেকে শ্রমিকদের পুনঃস্থাপন করতে পারবেন তা স্পস্ট বলা হয়নি। আবার মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা অবৈধ কর্মীদের প্রতিস্থাপন করতে পারবে কি না এমন ইঙ্গিত নেই। তবে অবৈধ কর্মী এ সুযোগ পেলে সকলের জন্য ভালো হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এম কুলাসেগারন আরও বলেন, পণ্যের উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য শিল্পের মুখোমুখি হওয়া শ্রমিকদের ঘাটতির সমস্যা সমাধানে বিশেষ করে রপ্তানির জন্য সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত ছিল।

বিদেশী কর্মীদের প্রতিস্থাপনের জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক নিয়োগকর্তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এই প্রতিস্থাপনের নামে দালালরা যেন প্রতারিত না করে সে বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ আশা করছ্ন  প্রবাসীরা।

উল্লেখ্য, গেলো বছরের ১লা সেপ্টম্বর থেকে বন্ধ হয় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অনলাইন পদ্ধতি এসপিপিএ।

 

bdnewspaper24