Print Friendly, PDF & Email

 

বিশেষ প্রতিবেদক : মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে দেশটির মন্ত্রিসভা। এবিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ- জেডব্লিউ’র কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী কুলাসেগারান।

যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় উপস্থিত একজন প্রবাস বার্তা-কে জানিয়েছেন, “বাংলাদেশ থেকে সাধারণ কর্মী নিয়োগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মালয়েশিয়ার মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে। কারণ বিদেশি কর্মী বাছাই, নিয়োগ এবং প্রত্যাবর্তন বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকার একটি স্বাধীন কমিটি করে দিয়েছে। সেই কমিটির দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে মন্ত্রিসভা। সুতরাং যে সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদ নিবে সে বিষয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সুযোগ নাই।”

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়া অবৈধ কর্মীদের বিষয়ে আগের অবস্থানেই আছে। যারা রিহায়ারিং কর্মসূচিতে নিবন্ধিত হয়েছেন কিন্তু ভিসা পাননি। দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন তারা ভিসা পাবেন। কিন্তু যারা নিবন্ধিত হননি তাদের দেশে ফিরতে হবে। তবে এ সিদ্ধান্ত পুন:বিবেচনার জন্য দেশটির প্রতি অনুরোধ করেছেন বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে শ্রমবাজার চালু করার বিষয়ে ১১ মে থেক সপ্তাহব্যাপী মালয়েশিয়া সফর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ। সফরে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও মানবসম্পদ মন্ত্রীর সাথে বৈঠকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং এর তারিখ ঠিক হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় ২৯ ও ৩০ মে মালয়েশিয়ায় দুদেশের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ-জেডব্লিউজি বৈঠকে ছিলেন, মালয়েশিয়ায় নিয়োজিত হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম, ডেপুটি হাইকমিশনার ওয়াহিদা আহমেদ, দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মো: জহিরুল ইসলাম, প্রথম সচিব মো: হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, ২য় সচিব ফরিদ আহমদ।

ঢাকা থেকে মালযেশিয়ায় এই বৈঠকে অংশ নেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো- বিএমইটি মহাপরিচালক সেলিম রেজা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফজলুল করিম ও উপ সচিব আবুল হোসেনসহ আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন করে কর্মকর্তা।

 

all.bdnewspaper24.com