1. monir212@gmail.com : admin :
  2. user@probashbarta.com : helal Khan Probashbarta : Helal Khan
  3. merajhgazi@gmail.com : News Desk : Meraj Hossen Gazi
  4. desk@probashbarta.com : News Desk : News Desk
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় হচ্ছে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টার অঞ্চল মালদ্বীপে ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু বাংলাদেশিদের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ওমান থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ জেদ্দা কনস্যুলেটে প্রবাসীদের পাসপোর্ট রি-ইস্যুর আবেদন সরাসরি জমা দেয়া যাবে বিদেশগামী কর্মীদের যেসব পরামর্শ দিলেন বিমানবন্দরের পরিচালক বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ইউএস-বাংলার পাঁচ ফ্লাইট চালু বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু বাংলাদেশ ভ্রমণে আমিরাত প্রবাসীদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে দূতাবাস দুবাই অবস্থান করা কুয়েতগামী প্রবাসীদের তালিকা করছে দূতাবাস

‘মাননীয় মন্ত্রী আমাদের বাঁচান’ : মালয়েশিয়ায় প্রতারিত ১৩০ কর্মীর আবেদন

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯
Print Friendly, PDF & Email

মিরাজ হোসেন গাজী, বিশেষ প্রতিনিধিএমডি জাকির মন্ডল (পাসপোর্ট নাম্বার- BN 0735860) । মালয়েশিয়ার সিরামবানে চায়না কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাজের কথা বলে তাকে পাঠানো হয়েছিলো। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মালয়েশিয়া গেলেও চায়না কেমিক্যাল কোম্পানী দেখা হয়নি তার। কোথায় কোম্পানী , কোথায় নিয়োগদাতা জানে না জাকিরের মতো এমন ১৩০ বাংলাদেশি কর্মী।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্হান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ মালয়েশিয়ায় আছেন শুনে, আশা দেখতে চান এই কর্মীরা। এই দশা থেকে মুক্তি চান তারা। মন্ত্রীর কাছে তাদের আকুতি, ‘মাননীয় মন্ত্রী আমাদের বাঁচান।’

এই ১৩০ কর্মীকে জিটুজি প্লাস কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া পাঠিয়েছে ঢাকার রিক্রটিং এজেন্সি আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লিমিটেড । এই প্রতিষ্ঠানটি বিতর্কিত ১০ এজেন্সির সিন্ডিকেটের একটি। চায়না কেমিক্যাল কোম্পানীর নামে মূলত তাদের পাঠানো হয়, একটি আউট সোর্সিং (সাপ্লাই) কোম্পানী আর.কে কীরানাহ রিসোর্স-এ। যেটা মূলত বিভিন্ন কাজে কর্মীদের সাপ্লাই দেয়।

আউট সোর্সিং কোম্পানীতে আছেন কর্মীরা

প্রথম দিকে কয়েক মাস বিভিন্ন কন্সট্রাকশন কাজে তাদের পাঠানো হলেও এখন কাজ নেই, বেতনও নেই। ৭/৮ মাস ধরে বেকার কর্মীদের সিরামবানের একটি সেডে রাখা হয়েছে।

এই সময়ে মাসে শুধু খাওয়ার জন্য ২০০ রিংগিত করে দেয়া হতো। এতে কোন রকমে দিনরাত পার করছেন তারা। দুই মাস ধরে খাওয়ার টাকাও বন্ধ। আর বেতন তো ভাবতেই পারছেন না তারা। কাজ নেই, বেতন নেই এমনকি তিন বেলা খেতেও পারছেন না ভাগ্য বদলানোর আশায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া এই কর্মীরা।

এসব সমস্যা জানাতে বারবার রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করা হলেও, কেউই কর্মীদের পাত্তা দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কর্মীরা।

রিক্রুটিং এজেন্সির বক্তব্য: আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামকে  এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে  তিনি দায় চাপান হাইকমিশন ও মন্ত্রণালয়ের ওপর।

অভিযুক্ত এজেন্সি মালিক আরিফুল ইসলাম

আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা প্রথম সচিব লেবার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, কোম্পানী পরিদর্শন করেই তাদের চাহিদাপত্রে অনুমতি দিয়েছেন। দূতাবাসের অনুমতি এবং মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র নিয়েই কর্মী পাঠানো হয়েছে।’

ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীরা বলছেন, তারা  চায়না কেমিক্যাল নামের কোম্পানীর অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছেন না। তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্রে কিভাবে সত্যায়ন করলো হাইকমিশন? এভাবে তাদেরকে বিপদে ফেলার দায় কে নেবে বলে প্রশ্ন করেন কর্মীরা।

কাজ ও বেতন না থাকায় এরইমধ্যে ৬০ জন কর্মী অন্য কাজের সন্ধানের চলে গেছেন। ফলে সেই কর্মীরা অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন। এক কর্মী প্রবাস বার্তাকে বলেন, ‘এই যে আমরা কাজ ও বেতন ছাড়া রইলাম, কেউ খোঁজ নিলো না। এখন বাইরে চলে যাচ্ছি কাজের খোঁজে, এই আবৈধ হওয়ার দায় কার?’- প্রশ্ন রাখের ভুক্তভোগি এক কর্মী।

জাকির মন্ডল জানান, সমস্যা সমাধানের আশায় শেষ পর্যন্ত  ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়েছিলেন তারা। সেখানে শ্রম কাউন্সেলর জহিরুল ইসলামকে অভিযোগ জানিয়েছেন।

হাইকমিশনের ভূমিকা কী : জিটুজি প্লাস কলিং ভিসায় কোন কর্মীর ভিসা আসার আগে, মালয়েশিয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কারখানা পরিদর্শন করে সত্যায়ন করেছিলো দেশটিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তাহলে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের ভিসা কিভাবে সত্যায়ন করলো দূতাবাস ? নাকি পরিদর্শন ছাড়াই সত্যায়িত করেছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা?

অভিযোগের পর ঘটনাস্থলে হাইকমিশন কর্মকর্তারা

এদিকে অভিযোগ পাওয়ার ১২ দিন পর ৩০ এপ্রিল হাইকমিশনের চারজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখেন। ১৫ দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাসও দেয়া হয়। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে রিক্রুটিং এজেন্সিকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলাও হয়েছে। কিন্তু এখনো কোন সমাধান নেই। হাইকমিশনের অনুরোধে কয়েকজন কর্মীকে অন্য কাজে পাঠানো হলেও, সেখানেও কাজ নেই বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

এমন পরিস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদের সহায়তা চেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীরা। একই সাথে কিভাবে এমন অনিয়ম হলো, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র কিভাবে অনুমতি পেলো তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান প্রতারিত কর্মীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর
© 2018 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখ, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যাবহার বেআইনি
Theme Customized BY LatestNews