Print Friendly, PDF & Email

ফখরুল ইসলাম, জাপান: বাঙ্গালী জাতি স্বত্তা ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে পহেলা বৈশাখ। প্রতি বছর জাপানে বসবাসরত প্রবাসি বাংলাদেশিদের উদ্যোগে পালিত হয় বৈশাখি মেলা। মেলা উপলক্ষে ইকেবুকুরুর সানশাইন সিটি পার্কটি প্রবাসি বাঙ্গালীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়, যা দেখলে মনে হয় যেন সূর্য উদয়ের দেশে একখন্ড বাংলাদেশ।

এবছরও প্রবাসীদের প্রাণের মেলা টোকিও বৈশাখী মেলায় প্রবাসীদের ঢল নেমেছিল। প্রবাসীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক জাপানিসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও বাংলা নববর্ষের আয়োজনে মেতে উঠেন।

২০ বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে বৈশাখী মেলা উদযাপিত হয়ে আসছে, এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। এটা শুধু জাপানে বসবাসরত বাঙালিদের মিলন মেলাই নয়, এই মেলার জন্য অধীর আগ্রহে থাকে জাপানিজরাও।

মেলায় বাংলাদেশ দূতাবাস, তোশিমা-কো সহ জাপানে বসবাসরত ব্যবসায়িরা সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন বরাবরের মতোই। তরুন ছেলেদের পাঞ্জাবীর সাজ,বাঙ্গালী ললনাদের শাড়ীর বাজ, ক্ষনিকের জন্য থমকে গিয়েছিল শাইন সাইন সিটির কোলাহল
জাপানিজদের তৈরী বাংলা গানের ব্যান্ড দল বাজনা বিট গান পরিবেশন করে মাতিয়ে তোলে শ্রোতাদের।

জাপানি ঢাক নিহোন তাইকো বাজিয়ে শোনায় জাপানিজরা। জাপান প্রবাসি সংগঠন স্বরলিপি ও উত্তরণ বাংঙালি ঘরানার গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাদের পরিচয় তুলে ধরেন।

মেলার মূল আকর্ষন ছিল বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী আশিক ও রেশমী এবং তাদের সাথে মিউজিকে ছিলেন  রাসেল, সৌরভ, সালমান। মেলায় বাঙালি খাবারের পসরা বসেছিল। জাপানিজ এবং ভিনদেশীদের কাছে নতুন ছিল বাংলা খাবার দাবার।
জাপানিজদেরকেও বাংলাদেশিরা অতিথি আপ্যায়ন করে থাকেন।

জাপানে বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি বাদল চাকলাদার, বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের সেক্রেটারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ি নাসিরুল হাকিম, সালেহ মোহাম্মদ আরিফ, আছলাম হিরা,এম ডি আলাউদ্দিন্ খান আলামিন, রেজা মীর, জয় ইসলাম,সহ কমিউনিটির সকলে বিদেশী এবং দেশি অতিথিদের বাংলাদেশি খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করেন।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন তানিয়া মিথুন ও জুয়েল আহসান কামরুল। সন্ধ্যা ৬ টায় জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্টান সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং ২১ তম বৈশাখি মেলার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

bdnewspaper24